images

জাতীয়

পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবের শিকার নিহত রেনুর পরিবার আজ গর্বিত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২৫ জুন ২০২২, ০৩:০৪ পিএম

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়ে উদ্বোধন করা হলো পদ্মা সেতু। শনিবার (২৫ জুন) সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নির্মাণ কাজ শুরুর আগে থেকেই পদ্মা সেতু নিয়ে ছিল নানা ষড়যন্ত্র। বাধাগ্রস্ত করতে ছড়ানো হয়েছিল গুজব। সেতু নির্মাণে লাগবে শিশুর মাথা। এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে মানুষ।

গুজবে কান দিয়ে ২০১৯ সালে সারাদেশে ২১ জন গণপিটুনির শিকার হন। প্রাণ হারান পাঁচজন। এর মধ্যে ওই বছরের ২০ জুলাই রাজধানী বাড্ডায় তাসলিমা বেগম রেনুর (৪০) হত্যাকাণ্ড ছিল খুবই চাঞ্চল্যকর। সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করানোর তথ্য নিতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হয়ে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি এখনও আদালতে বিচারাধীন। 

সেতুকে নিয়ে এত ষড়যন্ত্র, গুজব, বাধা, প্রাণহানি; সেই স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলো আজ। সেতু নিয়ে গুজবের বলি রেনুর পরিবারের ক্ষেত্রেও আগ্রহ ব্যতিক্রম নয়। অধীর আগ্রহে ছিলেন তারাও। সব বাধা পেরিয়ে পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলো, তাতেই গর্বিত রেনুর পরিবার বলে জানা গেছে।

২০১৯ সালে রেনুর করুণ মৃত্যুর সেই শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি স্বজনরা। পদ্মা সেতুকে নিয়ে এই মৃত্যু এখনও পীড়া দেয় তাদের। যখনই পদ্মা সেতুর কথা মনে পড়ে, সেতু নিয়ে কোনো কথা কানে আসে, তখনই রেনুর পরিবারের সবার চোখে ভেসে ওঠে রেনুর রক্তমাখা চেহারা, সেই বর্বরতার চিত্র। যে চিত্র ২০১৯ সালের ২০ জুলাই দেখেছিলেন দেশবাসী। শুধুমাত্র গুজবের বলি হয়েছিলেন রেনু।

পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজের জন্য মানুষের মাথা লাগবে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। এ নিয়ে সারাদেশে বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। গণপিটুনিতে প্রাণ হারান অন্তত পাঁচজন। অবশেষে পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মানুষকে এই গুজবের ব্যাপারে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এআইএম/এএস