জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
০৯ অক্টোবর ২০২৩, ০২:০৩ পিএম
রাজধানীর কাকরাইলে আগুন লাগা এস এ পরিবহনের পার্সেল ও কুরিয়ার সার্ভিসের ভবনটিতে কোনো বিস্ফোরক ছিল না বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সালাউদ্দিন আহমেদ।
এস এ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দাবি, ভবনটিতে কোনো ধরনের বিস্ফারক ছিল না। যেসব শব্দ শোনা গেছে সেগুলো পূজায় ফোটানোর জন্য পটকা।
সোমবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটির সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ভবনটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট। আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় পরে আরও পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ১০টি ইউনিটের প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডের পর সেখানে যান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল রেজাউল করিম। তিনি বলেন, কুরিয়ার সার্ভিসটির ভবনটিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। সেখানে দাহ্য পদার্থের সঙ্গে সাধারণ মালামাল রাখা হয়েছিল। এছাড়া ভবনটিতে থেমে থেমে কিছু আতশবাজি ও পটকা ফোটার শব্দ পাওয়া গেছে। কিছু পটকাজাতীয় বস্তুও পাওয়া গেছে। রাসায়নিক দ্রব্যও পাওয়া গেছে। তবে সেটা কী, তা তদন্তের পর জানা যাবে।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালকের কিছু সময় পর কথা বলেন এস এ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ভবনটিতে কোনো বিস্ফোরক ছিল না। যেসব শব্দ শোনা গেছে সেগুলো পূজায় ফোটানোর পটকা।
ভবনটিতে অগ্নিনির্বাপণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না বলে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হলেও সালাউদ্দিন আহমেদের দাবি, তার ভবনটিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল।
এস এ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘৪২ বছর ধরে ব্যবসা করছি। কিন্তু এই ভবনে কখনো আগুন লাগার ঘটনা ঘটেনি। এটা হয়তো কোনো দুর্ঘটনা অথবা ষড়যন্ত্র হতে পারে। বিষয়টি বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।’
বুকিং দেওয়া যাদের মালামাল পুড়ে গেছে তাদের ক্ষতিপূরণ দেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে দেখি কেমন ক্ষয়ক্ষতি হলো।
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিটি জিনিস চেক করে পাঠানো হয়। এখানে কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য ছিল না। তবে মধু থেকেও আগুন লাগতে পারে।
এমআইকে/এমআর