লাইফস্টাইল ডেস্ক
০৭ এপ্রিল ২০২৩, ১২:১২ পিএম
অনেক সিনেমায় নিশ্চয়ই কবুতরের পায়ে বেঁধে চিরকুট পাঠাতে দেখেছেন। আসলে কবুতর বা পায়রার মাধ্যমে চিঠি বা বার্তা পাঠানোর বিষয়টি কেবল সিনেমায় সীমাবদ্ধ নয়, প্রাচীনকালে চিঠি পাঠানোর ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো।
বর্তমানে চিঠির চল নেই বললেই চলে। ম্যাসেজ আর ফোন কলের মাধ্যমেই বার্তা পাঠানোর কাজটি করা হয়। তবে একসময় এই কাজটির জন্য কবুতর ব্যবহার করা হতো। মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, প্রাচীনকালে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য এত পাখি থাকতে কেন কেবল কবুতরকেই বেছে নেওয়া হতো?

কবুতরের একটি বিশেষ গুণ আছে। তারা চলাচলের পথ খুব ভালোভাবে মনে রাখে এবং কখনো তা ভুলে যায় না। এটি একটি বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত হয়েছে। এমনকি তারা যদি কোনো পথে একবারও যায়, সেটি মনে রাখে।

কেন কবুতর পথ ভোলে না?
কবুতর কখনোই পথ ভুলে যায় না কারণ এদের শরীরে একটি বিশেষ ধরনের সিস্টেম রয়েছে, যা জিপিএস এর মত কাজ করে। এই জিপিএস সিস্টেমের উপস্থিতির কারণেই কবুতর কখনো তার পথ হারায় না। এমনকি নতুন পথ খুঁজে বের করতে তারা এই দক্ষতা ব্যবহার করে।
অনেক গবেষকের মতে, কবুতরের শরীরে ৫৩ ধরনের বিশেষ কোষের একটি অংশ পাওয়া যায়, যা কবুতরকে চিনতে সাহায্য করে। মানুষের মতো কবুতরও তাদের দিকে তাকিয়ে সহজে দিকনির্দেশ এবং জিনিসগুলিকে চিনতে পারে।

এছাড়াও কবুতরের চোখের রেটিনায় এক ধরনের বিশেষ প্রোটিন পাওয়া যায়, যে কারণে তারা সহজে দিকনির্দেশ এবং জিনিসগুলোকে চিনতে পারে। এই কারণেই প্রাচীনকালে বার্তা বা চিঠি পাঠানোর জন্য কবুতর ছাড়া অন্য কোনো পাখি ব্যবহার করা হতো না।
এনএম