Dhaka Mail Logo

লাইফস্টাইল

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এই জাদুকরি পানীয়, আরও যা করণীয় 

লাইফস্টাইল ডেস্ক

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:৫৭ পিএম

প্রতিনিয়ত বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি। আমাদের রান্নাঘরেই এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। প্রায় প্রতিটি ঘরেই থাকে মধু আর দারুচিনি। মধুর অনেকে ঔষধি গুণ রয়েছে। স্বাস্থ্যের জন্য দারুচিনিও অত্যন্ত ভালো। আর যদি এই দুটি উপাদান একসঙ্গে খাওয়া যায় তবে সবচেয়ে বেশি উপকার মেলে। 

মধু আর দারুচিনি একসঙ্গে খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এটি ব্রণ সমস্যা দূর করতেও দারুণ কার্যকর। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধু আর দারুচিনি একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। 

honey

জয়েন্টের ব্যথা বা বাতের সমস্যায় ভুগছেন? এক্ষেত্রেও ভরসা রাখতে পারেন এই দুটি উপাদানে। মধু ও দারুচিনি একসঙ্গে খেলে বাতের ব্যথা কমে। 

হৃদরোগের প্রধান কারণ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি। মধু ও দারুচিনি শিরায় জমে থাকা কোলেস্টেরল বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। 

কীভাবে খাবেন? 

একটি পাত্রে ৩ চামচ দারুচিনির গুঁড়ো এবং ২ চামচ মধু নিন। এর সঙ্গে কিছু পানি মিশিয়ে নিন। নিয়মিত এই পানীয় পান করুন। 

heart

হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে আরও যা করণীয় 

কেবল এই পানীয় পান করলেই যে হৃদরোগ থেকে মুক্তি মিলবে তেমনটা নয়। এর জন্য আরও কিছু কাজ করতে হবে। চলুন সেগুলো জেনে নিই- 

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন 

কেবল মাছ-মাংস নয়, প্রতিদিনের খাবার তালিকায় যোগ করুন সবুজ শাক-সবজি এবং বেশি ফাইবারযুক্ত খাবার। এতে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। এছাড়া খাদ্যতালিকায় যোগ করুন ওটমিল, ব্রাউন রাইস, বিনস, মসুর ডাল, বাদাম, বীজ ও নানা ধরনের ফল। 

নিয়মিত শরীরচর্চা

দেহের বাড়তি ওজন হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। তাই নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় হাঁটা জরুরি। একটানা হাঁটার সময় না পেলে সকাল, দুপুর ও রাত মিলিয়ে আধ ঘণ্টা হাঁটুন। ফ্রি হ্যান্ড এক্সরেসাইজ করতে পারেন। 

sleep

রাতের ঘুম জরুরি 

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। ফলে স্ট্রোক, হার্ট ফেল করা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘুম ঠিকমতো না হলে রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ ভাল মতো হয় না। ফলে দেহ স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ ঘটায়। যার ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা থাকে।

মানসিক উদ্বেগ হ্রাস

জীবনের নানা বিষয় নিয়ে অত্যধিক চাপে থাকি আমরা। যার ছাপ পড়ে হৃদপিণ্ডে। মানসিক উদ্বেগের কারণে উচ্চ রক্তচাপ, বেশি খাওয়া, ধূমপান, ঘুমের সমস্যা, ক্লান্তি দেখা দেয়। চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। 

এনএম