Dhaka Mail Logo

লাইফস্টাইল

ফার্মেন্টেড খাবার মানেই কি প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৮ পিএম

খাবার তালিকায় আজকাল ফার্মেন্টেড বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি খাবার যুক্ত করছেন অনেকেই। বিশেষ করে উৎসবের দিনগুলোতে। হরেক রকমের ভারী খাবার খাওয়ার পর পেটের গণ্ডগোল ঠেকাতে দই, কিমচি বা আচারের মতো খাবারের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। কেননা, অনেকেই মনে করেন ফার্মেন্টেড খাবার মানেই তা প্রোবায়োটি সমৃদ্ধ। তবে আসলেই কি তাই? চলুন জেনে নেওয়া যাক সত্যিটা-

ফার্মেন্টেড ও প্রোবায়োটিকের পার্থক্য

Picture

সব ফার্মেন্টেড খাবার প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ নয়। ফার্মেন্টেশন হলো একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেখানে ব্যাকটেরিয়া বা ইস্ট খাবারের শর্করা ভেঙে এর স্বাদ ও গঠন বদলে দেয়। অন্যদিকে, প্রোবায়োটিক হলো অন্ত্রের  জন্য সরাসরি উপকারী নির্দিষ্ট কিছু জীবিত অণুজীব।

আরও পড়ুন: ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স কি জিনগত রোগ? জানুন কারণ ও লক্ষণ

তবে কোনো খাবারে অণুজীব থাকলেই সেটিকে প্রোবায়োটিক বলা যাবে না। শরীরের জন্য সেটি কতটুকু ভালো আগে তা যাচাই করা জরুরি।

Picture

প্রক্রিয়াজাতকরণে উপকারী ব্যাকটেরিয়া নষ্ট হয়

খাবার তৈরির পদ্ধতি ও সংরক্ষণের ওপর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বেঁচে থাকা নির্ভর করে। ফার্মান্টেশনের পর খাবারে অতিরিক্ত তাপ প্রয়োগ করা হলে অনেক ভালো ব্যাকটেরিয়া মারা যায়। তখন ফার্মেন্টেড হওয়া সত্ত্বেও খাবারটি আর প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ থাকে না। তাই বাজারে কেনা সব খাবার পেটের জন্য সমান উপকারী নাও হতে পারে।

আরও পড়ুন: দই নষ্ট হয়ে যায়? জেনে নিন সংরক্ষণের উপায়

খাবার কেনার সময় যা খেয়াল রাখবেন

Picture

বাজার থেকে এই ধরনের খাবার কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে শুধু ফার্মেন্টেড বা ন্যাচারাল লেখা দেখার বাইরে এই বিষয়গুলোও নিশ্চিত করতে হবে-

প্যাকেটের গায়ে লাইভ অ্যান্ড অ্যাক্টিভ কালচারস লেখা আছে কি না।

নির্দিষ্ট উপকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম বা স্ট্রেইন উল্লেখ আছে কি না।

ঘরে দই বা আচার তৈরির সময় সঠিক স্বাস্থ্যবিধি ও তাপমাত্রা বজায় রাখুন।

এএ