লাইফস্টাইল ডেস্ক
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
চুলের যত্নে মেথি ও ডিমের ব্যবহার বেশ পুরাতন ও জনপ্রিয়। গ্লাসের মতো মসৃণ ও চকচকে চুল পেতে নিয়মিত মেথি ও ডিমের হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন। মেথির মিউসিলেজ চুলে কন্ডিশনারের মতো কাজ করে, যা তাৎক্ষণিকভাবে চুলকে করে নরম, মসৃণ ও গ্লসি করে তোলে। আর ডিম আপনার চুলকে করে মজবুত ও মসৃণ। জেনে নিন গ্লাস হেয়ার কি এবং কীভাবে চুলে মেথি ও ডিমের হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করবেন-

গ্লাস হেয়ার কি
চকচকে ও মসৃণ চুলে আলো পড়লে কাচের মতো যে প্রতিফলন হয় সে লুককে বলা হয় গ্লাস হেয়ার। চুলের জনপ্রিয় এই লুক পেতে মূলত কন্ডিশনিং, স্টাইলিং এবং হিট প্রোডাকশন ব্যবহার করা হয়।
তবে ঘরোয়া কিছু উপাদান ব্যবহার করেও সাময়িকভাবে চুলে উজ্জ্বলতা বাড়ানো যায়। এর মধ্যে মেথি এবং ডিমের হেয়ারপ্যাক অন্যতম।

মেথির হেয়ার মাস্ক
চুলের পরিচর্যায় মেথি বীজের ব্যবহার বেশ পুরাতন। এতে বিভিন্ন ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে। মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখলে মিউসিলেজ নামে জেলির মতো একটি আঠালো পদার্থ তৈরি হয়। এটি চুলে একটি মসৃণ আবরণ তৈরি করে। যার কারণে চুল ধোয়ার পর তা তুলনামূলক ভাবে নরম, মসৃণ ও ঝলমলে দেখায়। চুলের কিউটিক্যাল বা বাইরের স্তর যতটা মসৃণ হয় চুলের উপর আলো তত সমানভাবে প্রতিফলিত হয়। এতে চুল দেখতে আরও চকচকে লাগে।
আরও পড়ুন: অকালে চুল পাকা রোধ করতে ৪ ঘরোয়া উপায়
সারারাত আস্ত মেথি বা মেথির গুড়া পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে আস্ত মেথি ব্লেন্ড করুন। এই মিশ্রণ আপনার চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ব্যবহার করুন। ১৫ থেকে ২০ মিটি রাখার পর চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিন।

মেথির সঙ্গে পছন্দমতো টক দই, তেল ও মেহেদি মিশিয়ে নিতে পারেন।
ডিমের হেয়ার মাস্ক
আরও পড়ুন: রোজ কয়টি চুল পড়া স্বাভাবিক? কখন সতর্ক হবেন?
চুল মূলত প্রোটিন দিয়ে তৈরি। এতে অ্যামিনো অ্যাসিড এবং বিভিন্ন নিউট্রিয়েন্টস রয়েছে। তবে খাওয়ার পাশাপাশি চুলের যত্নে ডিমের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। একটি ডিমের সঙ্গে এক টেবিল চামচ দই এবং এক চা চামচ অ্যালোভেরা জেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ভেজা চুলে ব্যবহার করতে হবে। চুলের মাঝামাঝি অংশ থেকে ডগা পর্যন্ত লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর চুল ভালোভাবে ধুয়ে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
টিপস
নিয়মিত চুলের সঠিক যত্ন নিতে হবে।
অতিরিক্ত হিট বা স্টাইলিং থেকে চুলকে সুরক্ষিত রাখুন।
এএ