images

লাইফস্টাইল

সকালে ঘুম থেকে উঠেই ফোন ঘাঁটেন? জানুন নিজের কী ক্ষতি করছেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

৩১ মে ২০২৬, ০২:২৬ এএম

আমাদের অনেকেরই সকালটা শুরু হয় স্মার্টফোনের স্ক্রিনে চোখ রেখে। চোখ খোলার আগেই হাত চলে যায় বালিশের পাশে থাকা ফোনটির দিকে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, মেইল কিংবা মেসেজ চেক না করে যেন বিছানাই ছাড়তে পারেন না অনেকে। প্রযুক্তিপ্রেমী বা সাধারণ ব্যবহারকারী, সবার মাঝেই এই অভ্যাস দিন দিন বাড়ছে। তবে সকালের এই প্রথম অভ্যাসটিই যে আপনার চোখের জন্য কতটা মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনছে, তা হয়তো অনেকেই টের পাচ্ছেন না। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস চোখের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।

১. তীব্র আলো সহ্য করতে পারে না চোখ

দীর্ঘ সময় ঘুমোনোর পর আমাদের চোখ সম্পূর্ণ অন্ধকার বা শান্ত পরিবেশ থেকে জেগে ওঠে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার ঠিক পরপরই আমাদের চোখ হুট করে অতিরিক্ত বা তীব্র আলো সহ্য করার জন্য প্রস্তুত থাকে না। এই অবস্থায় ফোনের স্ক্রিনের চড়া নীল আলো সরাসরি চোখের ওপর পড়লে চোখের পেশিতে প্রচণ্ড চাপ পড়ে।

২. ঝাপসা দেখার সমস্যা বাড়ে

এমনিতেই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ-চোখ না ধুলে স্বাভাবিক নিয়মেই দৃষ্টি কিছুটা ঝাপসা লাগে। চোখের এই স্বাভাবিক সংবেদনশীল অবস্থার মাঝেই যখন ফোন স্ক্রিনের দিকে একটানা তাকিয়ে থাকা হয়, তখন চোখের কর্নিয়া ও রেটিনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ঝাপসা দেখার এই সমস্যাটি স্থায়ী রূপ নিতে পারে।

022825_SmartPhone_Internet_Access.2e16d0ba.fill-735x490

৩. চোখ শুকিয়ে যাওয়া এবং মাথাব্যথা

ঘুম থেকে উঠেই ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের পলক পড়ার হার কমে যায়। এর ফলে চোখ তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারায় এবং শুষ্ক বা ড্রাই আইজের সমস্যা দেখা দেয়। সকাল সকাল চোখের ওপর এই বাড়তি ধকল যাওয়ার কারণে দিনভর মাথা ঘোরানো বা মাথাব্যথার মতো সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন: সাফোকেশন কী এবং কেন হয়? এসি রুমে এই ঝুঁকি এড়াতে জানুন জরুরি তথ্য

কী করা উচিত?

চোখ মানুষের শরীরের সবচেয়ে মূল্যবান এবং সংবেদনশীল অঙ্গ। তাই ঘুম থেকে উঠেই ফোন ঘাঁটার এই ক্ষতিকর অভ্যাসটি এখনই ত্যাগ করা উচিত। সকালে জেগে ওঠার পর অন্তত ৩০ মিনিট ফোন থেকে দূরে থাকুন। বিছানা ছেড়ে প্রথমে চোখে-মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন, ঘরের স্বাভাবিক আলোতে চোখকে অভ্যস্ত হতে সময় দিন। নিজেকে সুস্থ রাখতে এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি দীর্ঘকাল অটুট রাখতে সকালের শুরুতে এই সামান্য নিয়মটুকু মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

এজেড