images

লাইফস্টাইল

বার বার চুলে রঙ করলে কি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

০৬ মে ২০২৬, ০৬:১১ পিএম

সোনালি, বাদামী, বারগেন্ডি, নীল কিংবা লাল— মনের রঙে চুল সাজাতে পছন্দ করছে নতুন প্রজন্ম। এখন আর কালো চুলে তাদের মন ভরে না। তাদের বক্তব্য, চুলের রঙে বদল আনলে চেহারায়ও বদল আসে, আত্মবিশ্বাস বাড়ে, ব্যক্তিত্বে যোগ হয় নতুন মাত্রা। পাকা চুল নিয়ে আর বিব্রতকর পরিস্থিতিতেও পড়া লাগে না। তাই দুই-তিন মাস পর পর চুলে রঙ করেন তারা। কিন্তু এই অভ্যাস কি চুলের পক্ষে আদৌ ভালো? ঘন ঘন চুল রঙ করলে কি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে? 

কৃত্রিম রঙে যেসব রাসায়নিক থাকে, তা চুলের স্বাভাবিক রং পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। ফলে কমতে থাকে চুলের গোড়ায় থাকা মেলানিন। কৃত্রিম রঙে থাকা ভারী ধাতু ও রাসায়নিক উপাদান মাথার ত্বকে ঢুকে গিয়ে বিভিন্ন রকম চর্মরোগের কারণ হয়ে ওঠে। 

hair_1

ক্যানসার চিকিৎসকদের মতে, হেয়ার ডাইগুলোতে ফর্ম্যালডিহাইড নামক এক প্রকার উপাদান থাকে, যা আদতে কার্সিনোজেনিক প্রকৃতির। তবে ১৫ দিন বা এক মাস, দুই মাস অন্তর চুলে রং করলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়বে না। তাই চুল রাঙানোর ক্ষেত্রে মনে ভয় না রাখাই ভালো। তবে নিম্নমানের রঙ ব্যবহার করা মোটেও উচিত হবে না। 

প্রয়োজন সতর্ক থাকা 

চিকিৎসকের মতে, হেয়ার ডাই থেকে তাদেরই সমস্যা হবে, যারা পার্লার বা সেলুনে দিনে দশ থেকে পনেরো বার হেয়ার ডাইয়ের মাধ্যমে ফর্ম্যালডিহাইডের সংস্পর্শে আসেন। হেয়ার ডাই এর অতিরিক্ত ব্যবহারে কিন্তু তাদের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ছে। অর্থাৎ যার চুল রাঙাচ্ছেন তার ঝুঁকি না থাকলেও যিনি চুল রাঙাচ্ছেন তার ঝুঁকি থাকছেই। 

hair_2

তাই পার্লারে কাজ করা ব্যক্তিদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। হেয়ার ডাই ব্যবহারের সময় হাতে অবশ্যই গ্লাভস পরতে হবে। এছাড়া পার্লার বা সেলুনে যেন সঠিক পদ্ধতিতে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা থাকে, তা-ও নিশ্চিত করতে হবে।

এনএম