লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ পিএম
ঠান্ডা গিয়ে শুরু হয়েছে গরমের সময়। প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে ছোট-বড় সবাই। বিশেষ করে শিশুরা ভুগছে সর্দি-কাশি-জ্বরে। সেসঙ্গে প্রকোপ আছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসেরও। ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে ছোট্ট সোনামণিরা। সেসঙ্গে আছে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্টের সমস্যাও।
শিশুর জ্বর হলেই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। যদি তিন দিনেও জ্বর না কম তাহলে কিছু পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরি। শুরু থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়াতে হবে। শিশুর জ্বর মাপতে হবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর।

তবে শিশুর জ্বর মাপার সুয় বেশিরভাগ মা-বাবাই বেশ কিছু ভুল করে বসেন। জেনে নিন কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন-
অনেকসময় শিশুর গায়ে হাত দিয়েই জ্বর পরিমাপ করেন কেউ কেউ। গা গরম মানেই জ্বর হয়েছে এমনটা ধরে নেন। বড়দের তুলনায় শিশুদের বিপাকহার বেশি থাকে। তাই তাদের শরীরের তাপমাত্রা বড়দের চেয়ে সবসময় বেশি থাকে। এজন্য তাদের গায়ে হাত দিলে গরম লাগাই স্বাভাবিক। শিশুদের জ্বর কখনো হাত দিয়ে মাপা উচিত নয়।

অনেকে অ্যানালগ থার্মোমিটারের সাহায্যে শিশুর জ্বর মাপেন। এতে একদম সঠিক মাপ জানা সম্ভব হয় না। জ্বর মাপার ক্ষেত্রে ডিজিটাল থার্মোমিটার ব্যবহার করুন। শিশুর বাহুমূলের নিচে থার্মোমিটার রাখলে সবচেয়ে ভালো জ্বর মাপা যায়। খেয়াল রাখুন যেন থার্মোমিটারের ভাল্বটি শিশুর ত্বকে ভালোভাবে ছোঁয়ানো থাকে। শিশুর বগলের তাপমাত্রা ৯৯.৫ ফারেনহাইট থাকা স্বাভাবিক।

শিশুর জ্বর ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়ালে তবেই ওষুধ খাওয়ানো উচিত। জ্বরের সঙ্গে শিশু ঘ্যান ঘ্যান করলে, চোখ ছল ছল করলে, তবেই ওষুধ দিন। গা গরম হলেই জ্বরের ওষুধ খাইয়ে দেওয়া কখনই উচিত নয়।
এনএম