লাইফস্টাইল প্রতিবেদক
২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
শরীরের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় মস্তিষ্ক গ্লুকোজের ওপর প্রায় পুরোপুরি নির্ভরশীল। সমস্যা হলো এই অঙ্গটি নিজে গ্লুকোজ তৈরি করতে কিংবা জমা রাখতে পারে না। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বা ব্লাড সুগার হঠাৎ কমে গেলে মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দেয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘হাইপোগ্লাইসেমিয়া’ বলে।
চিকিৎসকরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে খিঁচুনি (Seizures) হতে পারে। এমনকী স্নায়ুর ক্ষতি হওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

নিউরোলজিস্টদের মতে, গ্লুকোজের সরবরাহ বন্ধ হলে মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সঙ্কেতগুলো অগোছালো হয়ে পড়ে। ফলে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন বা তার শরীরে খিঁচুনি শুরু হতে পারে। বিশেষ করে সদ্যোজাত শিশু, ডায়াবেটিসের রোগী এবং লিভার বা কিডনির সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।
মস্তিষ্ক বিকল হওয়ার আগে শরীর বিশেষ কিছু সঙ্কেত দেয়। এই লক্ষণগুলো জেনে রাখা জরুরি। তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। মস্তিষ্ক বিকল হওয়ার প্রাথমিক কিছু লক্ষণ হলো-


এন্ডোক্রিনোলজিস্টদের মতে, মূলত ওষুধ, খাবার, ঘুম এবং শারীরিক পরিশ্রমের ভারসাম্যের অভাব থেকেই এই সমস্যা হয়।
ভুল মাত্রায় ইনসুলিন নিলে কিংবা ইনসুলিন নিয়ে খাবার না খেলে সুগার ফল করতে পারে।

দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকলে হরমোনের হেরফের হয়। ফলে সুগার ফল করতে পারে।
অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রম করার কারণেও হঠাৎ করে রক্তের সুগার লেভেল কমে যেতে পারে।

এই অভ্যাস এমনিও ভালো নয়। খালি পেটে মদ্যপান করলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত কমে যায়।
যদি কোনো ব্যক্তির হঠাৎ সুগার ফল করে, সেক্ষেত্রে করণীয় হলো-

৩ চা-চামচ গ্লুকোজ পাউডার পানিতে গুলে কিংবা কোনো মিষ্টি ফলের রস সঙ্গে সঙ্গে খেতে পারেন।
গ্লুকোজ খাওয়ার ১৫ মিনিট পর আবার সুগার পরীক্ষা করে দেখুন।
যদি রোগী অজ্ঞান হয়ে যান বা কিছু খাওয়ার মতো অবস্থায় না থাকেন, সেক্ষেত্রে সময় নষ্ট না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।
এনএম