লাইফস্টাইল প্রতিবেদক
১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
গরমে তৃষ্ণা মেটাতে অনেকেই আখের রস খান। রাস্তার পাশে মেলা ঠান্ডা আখের রস তাৎক্ষনিক সতেজতা দেয়। কমায় ক্লান্তিও। কিন্তু সবার জন্য এটি উপকারি নাও হতে পারে। আখের রসে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ খুব বেশি থাকে। তাই কিছু রোগ থাকলে এই রস পান করা বিপদের কারণ হতে পারে।
কাদের আখের রস খাওয়া উচিত নয়? চলুন জেনে নিই বিস্তারিত-

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খুব বুঝেশুনে আখের রস পান করতে হবে। এক গ্লাস আখের রসে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম চিনি থাকতে পারে। এর গ্লাইসেমিক লোডও প্রায় ২০ থেকে ২৫ এর কাছাকাছি, যা রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বাড়তে পারে। আখের রস পান করতে খুব ইচ্ছে করলে সামান্য পরিমাণ খেতে পারবেন। বেশি রস খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে।
ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদেরও আখের রস পান করা উচিত নয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্রুক্টোজ (এক ধরণের চিনি) রয়েছে, যা লিভারে চর্বি গঠনের প্রক্রিয়া বাড়িয়ে তুলতে পারে। আপনার লিভার যদি ইতোমধ্যে দুর্বল হয় তাহলে আখের রস এড়িয়ে চলুন।

আপনি যদি প্রায়ই পেট ফাঁপা, গ্যাস বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যায় ভোগেন তাহলে আখের রস সমস্যা আরও বাড়াতে পারে। এতে উপস্থিত অতিরিক্ত চিনি কখনও কখনও পেটের জন্য খুব ক্ষতিকারক হতে পারে, যা স্ফীতভাব বা ডায়রিয়ার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। পেটের সমস্যায় ভুগলে আখের রস কম খান কিংবা এড়িয়ে চলুন।
ওজন বেশি থাকলে আখের রস না খাওয়াই ভালো। এটি ওজন আরও বাড়িয়ে দেবে। আপনি যদি ওজন কমানোর মিশনে থাকেন তাহলেও এটি এড়িয়ে চলা উচিত। একটি গ্লাসে প্রায় ১৫০ থেকে ১৮০ ক্যালোরি থাকে এবং এতে ফাইবার থাকে না। অর্থাৎ এটি পেট ভরায় না কিন্তু ক্যালোরি বাড়ায়।

যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের রাস্তার পাশের আখের রস না খাওয়াই ভালো। অনেক সময়, মেশিন ও পানি সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয় না, যা ই. কোলাইয়ের মতো ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। পান করতে চাইলে পরিষ্কার জায়গা থেকে জুস কিনুন কিংবা বাড়িতে ব্লেন্ডারের সাহায্যে রস বের করে খান
এনএম