লাইফস্টাইল ডেস্ক
০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
হজমের সমস্যায় কম-বেশি সবাই ভোগে। মাত্রার বেশি খাবার খেলে কিংবা একটু বেশি ভাজাপোড়া বা মসলাদার খাবার খেলে হজমের সমস্যা হতেই পারে। কিছু মানুষ পেটের সমস্যা দেখা দিলেই ওষুধের দোকানে ছোটে। অ্যান্টাসিড জাতীয় ওষুধ খেয়ে সমস্যার সমাধান করতে চান। এই টোটকাও অনেকসময় কাজ করে না।
হজমের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে সবার আগে ঠিক রাখতে হবে অন্ত্রের স্বাস্থ্য। নয়তো পেটের রোগ কোনোভাবেই সারবে না। খাবার হজম না হলেই মুঠো মুঠো ওষুধ খাওয়া মোটেও সমাধানের পথ হতে পারে না। অনেকেই রোজ সকালে অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। কেন হয় এমনটা?

অনেকেই সকাল সকাল খালি পেটে তাড়াহুড়ো করে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। এড়িয়ে যান সকালের নাশতা। আবার কেউ কেউ ভাবেন, সকালে নাশতা না খেলে বুঝি ওজন দ্রুত কমে। অনেকে আবার অনলাইনে দেখে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং ক্রেন। বেলা ১২টা বা ১টার আগে কিছু খান না। অ্যাসিডিটি মূলত এসব কারণেই হতে পারে।
পাকস্থলী অ্যাসিড তৈরির জন্য কোনো সুবিধাজনক সময়ের অপেক্ষা করে না। দিনের প্রথম খাবারের প্রত্যাশায় খুব ভোরেই গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণ শুরু করে দেয় এটি। যা শরীরের প্রাকৃতিক সার্কাডিয়ান রিদম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি প্রক্রিয়া।

সকালে পেটে খাবার না পড়লে অ্যাসিডের কাজ করার মতো কিছুই থাকে না। অ্যাসিড খালি পাকস্থলীতে কেবল জমা হতে থাকে, যা মিউকোসাল লাইনিংকে উত্তেজিত করে। ফলে অ্যাসিডিটির সাধারণ লক্ষণগুলো যেমন বুকজ্বালা, ঢেঁকুর, বমি বমি ভাব এবং মুখে টক স্বাদ সকালের দিকেই প্রকাশ পেতে শুরু করে।
তাই অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে চাইলে সকালে খালি পেটে থাকা চলবে না। বিশেষ করে যারা বদহজমের সমস্যায় ভোগেন তাদের খালিপেটে থাকার অভ্যাস থাকলে, আজই অভ্যাসটি বদল করুন। কিছু দিনের মধ্যেই দেখবেন অ্যাসিডিটির সমস্যায় আর অ্যান্টাসিড খাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।
এনএম