images

লাইফস্টাইল

সুগন্ধি বা পাউডার থেকেও হতে পারে জটিল রোগ, ৩ অভ্যাস মানুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম

শরীরের অন্যান্য অঙ্গের প্রতি যত্নশীল হলেও বেশিরভাগ মানুষ নাক-কান-গলার যত্নে খুব একটা পাত্তা দেন না। আর এই ছোট ছোট ভুলই ধীরে ধীরে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। নাক, কান, গলার স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে সচেতন হওয়া উচিত বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। নয়তো আক্রান্ত হতে পারেন জটিল রোগে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু অভ্যাস না মানলে সুগন্ধি কিংবা পাউডারের কারণেও বিভিন্ন ত্বকজনিত রোগ হতে পারে। কোন অভ্যাসগুলো মানবেন চলুন জেনে নিই- 

perfume_1

সুগন্ধি থেকে দূরে থাকা

পারফিউম, ডিওডোরেন্ট ও পাউডার অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহার করবেন না। এধরণের সুগন্ধিতে রাসায়নিক থাকে। পাশাপাশি থাকে অ্যালকোহল ও কৃত্রিম গন্ধ। তাই পারফিউম বেশি ব্যবহার করলে অনেকসময় ত্বকে জ্বালা, অ্যালার্জি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেয়।

বিশেষ করে যাদের ত্বক সংবেদনশীল বা অ্যাজমার সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এটি আরও ক্ষতিকর। তবে সম্পূর্ণ বাদ না দিয়ে মৃদু, কম গন্ধযুক্ত বা চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষিত পণ্য ব্যবহার করতে পারেন। 

nose

নাকের আর্দ্রতা বজায় রেখে ঘুমাতে যাওয়া: 

নাক শুকনো অবস্থায় কখনো ঘুমাতে যাবেন না। নাকের ভেতর আর্দ্রতা বজায় থাকলে শুষ্কতা, জ্বালা বা রক্তপাতের সমস্যা কমে এবং শ্বাস নিতে আরাম হয়। বিশেষ করে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বা শীতের সময়ে নাকের আর্দ্রতা নিশ্চিত করে ঘুমাবেন।

তবে এখানে সতর্কতাও জরুরি। লবণাক্ত পানির স্প্রে দিয়ে নাকের ভেতর হাইড্রেট করা উচিত। তেলজাতীয় কিছু ব্যবহার করবেন না। এতে অন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

wash_face

মুখ ধুয়ে ঘুমাতে যাওয়া: 

দিনের শেষে দাঁত মেজে ফ্লস করে কুলকুচি ও গার্গল করুন। এই রুটিন প্রতিদিন মানা উচিত। কারণ, রাতে ঘুমের সময়ে মুখের ভেতরের লালারস কমে যায়, ফলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বাড়তে পারে। যার জেরে দাঁতের ক্ষয়, মুখে দুর্গন্ধ, মাড়ির সমস্যা, এমনকি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে।

তাই রাতে খাওয়ার পরে মুখ পরিষ্কার করার অভ্যাস করুন। এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত।

এনএম