images

লাইফস্টাইল

কানে কম শুনছেন? এসব লক্ষণে সতর্ক হোন! 

লাইফস্টাইল ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম

ভিড়ের মধ্যে পাশের মানুষের কথা শুনতে পারছেন না? ফোনে কথা বলার সময় মনে হচ্ছে অপর পাশের কথা পানির নিচ থেকে ভেসে আসছে? এমনটা হলে সচেতন হতেই হবে। অনেকে কানের ছোটোখাটো সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে যান। মনে রাখবেন, কানে শোনার সমস্যা কেবল বার্ধক্যের লক্ষণ নয়, বরং এর জন্য দায়ী আধুনিক জীবনযাত্রা ও শব্দদূষণও। 

কানের কোন সমস্যাগুলো দেখা দিলে সতর্ক হবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক- 

hearing_1

অস্পষ্ট শব্দ: 

চারপাশের কথাগুলো যদি আপনার কাছে ঘষা কাঁচের মতো ঝাপসা মনে হয়, তাহলে বুঝবেন কানের পর্দা ঠিকমতো ব্রেনে সিগন্যাল নিতে পারছে না।

ভিড়ের মধ্যে অসুবিধা: 

রেস্তোরাঁ বা উৎসবের ভিড়ে অনেকে মিলে কথা বললে যদি আপনি নির্দিষ্ট কারও কথা আলাদা করতে না পারেন, তবে এটি হতে পারে কানের সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ।

hearing_2

বারবার প্রশ্ন করা: 

কথা চলাকালীন যদি আপনাকে বারবার ‘কী বললেন?’ বা ‘আর একবার বলুন’ বলতে হয়, তবে সচেতন হোন। আপনার শ্রবণশক্তি পরীক্ষার সময় হয়েছে।

টিভির ভলিউম বাড়ানো: 

বাড়ির অন্যরা যেখানে স্বাভাবিক শব্দে টিভি দেখেন, সেখানে আপনার যদি আরও বেশি আওয়াজের প্রয়োজন হয় তাহলে বুঝবেন কানে সমস্যা হচ্ছে। 

hearing_4

সামাজিক দূরত্ব: 

আপনি কি আড্ডা বা জমায়েত এড়িয়ে চলতে শুরু করেছেন? তাহলে হতে পারে কানে শোনার সমস্যা হচ্ছে।

কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ (Tinnitus): 

নিস্তব্ধ ঘরেও যদি কানে একটানা বাঁশির মতো আওয়াজ বা ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শুনতে পান, তবে তা স্নায়ুর সমস্যার সংকেত হতে পারে। 

hearing_3

ব্যঞ্জনবর্ণের সমস্যা: 

‘স’, ‘ফ’ বা ‘ট’ জাতীয় বর্ণগুলো শুনতে যদি আপনাকে বেশি কসরত করতে হয়, তাহলে হতে পারে আপনার উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ শোনার ক্ষমতা কমছে।

মানসিক ক্লান্তি: 

সারাদিন অন্যের কথা শোনার চেষ্টা করতে গিয়ে কি দিনশেষে প্রচণ্ড মাথা ধরে যাচ্ছে? মস্তিষ্ক যখন অতিরিক্ত খাটে, তখনই এমনটা হয়।

hearing_5

অন্যের ওপর বিরক্ত হওয়া: 

আপনার কি মনে হয় সবাই বিড়বিড় করে কথা বলছে? এই ভুল বোঝাবুঝি অনেক সময় পারিবারিক অশান্তির কারণও হয়ে দাঁড়ায়। এমনটা কানে সমস্যার কারণেও হতে পারে। 

প্রকৃতির শব্দ হারিয়ে যাওয়া: 

পাখির ডাক বা ঘড়ির টিকটিক শব্দ যদি বেশ কিছুদিন ধরে না শুনতে পান, তাহলে বুঝে নিন আপনার শ্রবণশক্তির পরিসর কমে গিয়েছে।

এরকম কোনো সমস্যা হলে ফেলে না রেখে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নাহলে এই সমস্যা বড় কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এনএম