লাইফস্টাইল ডেস্ক
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় প্রোটিন রাখতেই হবে। পেশি থেকে শুরু করে হাড়, চুল থেকে নখ—সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এটি। এমনকি ওজন কমাতে চাইলেও প্রোটিন খাওয়ার পরিমাণ কমানো যাবে না। দিনের প্রথম খাবার থেকে শুরু করে প্রতিটি মিলেই প্রোটিন অবশ্যই রাখতে হবে।
তাই বলে কেবল প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে চলবে না। এতে শরীরে অন্যান্য পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বর্তমানে অনেকেই হাই-প্রোটিন ডায়েট মেনে চলেন। এমন ডায়েট করতে গিয়ে শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যায়। অনেকে আবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পড়েন। কিছু ভুলের কারণে এমনটা হয়। চলুন এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিই-

যত বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাবেন, তত বেশি পানি খাওয়া দরকার। এতে কিডনিতে স্টোন হওয়া বা ইউরিক অ্যাসিড মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। এছাড়া পর্যাপ্ত পানি না খেলে দেখা দিতে পারে মাথাব্যথা, ক্লান্তি, হলুদ প্রস্রাব, কোষ্ঠকাঠিন্য।
হাই-প্রোটিন ডায়েট করছেন বলে ফাইবারকে বাদ দিয়ে দেওয়ার ভুল করবেন না। পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ না করলে খাবার ঠিকমতো হজম হবে না। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগতে হবে। তাই পাতে প্রোটিনের সঙ্গে ফাইবার রাখাও জরুরি। বিভিন্ন ধরনের ডাল, ছোলা, কলাই খেতে পারেন। এতে প্রোটিন ও ফাইবার একই সঙ্গে শরীরে ঢুকবে।

বেশিরভাগ মানুষ হাই-প্রোটিন ডায়েটে মাছ, মাংস, ডিম, পনির, দুধ ইত্যাদি রাখেন। শাকসবজি, ফল একদমই খান না। অথচ ফল-শাকসবজি পুষ্টিতে ঠাসা। শরীরে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের জোগান দেয়।
মাছ-মাংসের সঙ্গে সবজি না খেলে শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। এছাড়া গ্যাস-অম্বল, পেশিতে খিঁচুনি, রক্তচাপ ওঠানামা করার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিডনির ওপরও চাপ পড়ে। তাই শুধু প্রোটিন খেয়ে নিজের ক্ষতি করবেন না।
এনএম