লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খান। এরপর চুমুক দেন ক্র্যানবেরি স্মুদিতে। এর সকালের নাশতা শেষে এক কাপ গ্রিন টি— এর চেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার আর কী ই বা হতে পারে। খালি চোখে এই খাবারে তেমন কোনো অসঙ্গতিও নেই। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এ ধরনের খাবার দাঁতের জন্য ভালো নয়।
এমন খাবার দাঁতের এনামেল নষ্ট করে দেয়। আর এনামেল নষ্ট হয়ে গেলে দাঁত ক্ষয়ে যায়। দাঁতের গভীরে সহজেই প্রবেশ করে অ্যাসিড, ব্যাকটেরিয়া। দাঁত থেকে মাড়িতেও ছড়ায় সংক্রমণ। সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো দাঁতের এনামেল একবার উঠে গেলে আর সেটি ফিরে আসে না। তাই দাঁত ভালো রাখতে চাইলে খাবারের বিষয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি। কোন ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন? জেনে নিন-

দন্ত চিকিৎসকদের মতে, ভিটামিন সি-যুক্ত লেবু দাঁতের জন্য ভালো নয়। যেকোনো ধরনের লেবু অর্থাৎ সাইট্রাস ফলে ভিটামিন সি রয়েছে। বেরিজাতীয় ফলেও আছে অ্যাসিড। একইসঙ্গে টক সবজি ও ফল যেমন টমেটো, তেঁতুল, আমলকি, আমড়া, বরই, কামরাঙা— দাঁতের জন্য খারাপ।
অ্যাসিডযুক্ত যেকোনো খাবারই দাঁতের জন্য খারাপ। যেমন দক্ষিণী খাবার সম্বর, চাটনি, আচার বেশি খেলে দাঁতের এনামেল নষ্ট হয় দ্রুত। অ্যাসিডের সংস্পর্শে এলে প্রথমে এনামেল নরম হতে শুরু করে। এর ওপর যদি কেউ যদি ব্রাশ করেন, তাহলে তো কথাই নেই। দাঁতের ওপর থেকে এনামেলের পরত চিরতরে উঠে যায়।

তবে এনামেল কিন্তু একদিনে হঠাৎ উঠে যায় না। দিনের পর দিন একটু একটু করে তা উঠতে থাকে। প্রথমে দাঁতে হলুদ ছোপ ধরে। নষ্ট হয়ে যায় দাঁতের স্বাভাবিক জেল্লা। সেনসিটিভিটি বাড়তে থাকে। ঠান্ডা কিংবা গরম— যেকোনো ধরনের খাবার খেলেই দাঁত শিরশির করে।
১. অ্যাসিড-যুক্ত ফল, সবজি খাবেন না। এতে এনামেল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বাড়বে।

২. টকজাতীয় কোনো খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব্রাশ করতে যাবেন না। এতে দাঁত থেকে সহজেই এনামেল উঠে যায়।
৩. ফ্লুওরাইড-যুক্ত মাজন ব্যবহার করতে পারেন। তাতে এনামেল ক্ষয়ে যাওয়ার মাত্রা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
এনএম