images

লাইফস্টাইল

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগছেন? এই আয়ুর্বেদিক টোটকাগুলো কাজে লাগান

লাইফস্টাইল ডেস্ক

১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:১৫ পিএম

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা এখন অনেক। শরীরে এই অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে দেখা দেয় জয়েন্টে ব্যথা, ফোলাভাব, ক্লান্তির মতো নানা সমস্যা। সুস্থ থাকতে তাই এটি নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই। তবে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে সবসময় যে ওষুধের ওপর ভরসা করতে হবে এমনটা নয়। 

কিছু আয়ুর্বেদিক উপাদান রয়েছে যা এই অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এসব ঘরোয়া টোটকা কাজে লাগাতে পারেন। চলুন বিস্তারিত জেনে নিই- 

lemon

গরম পানিতে লেবু

আয়ুর্বেদ মতে, ইউরিক অ্যাসিডের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে লেবু। সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে খান। এতে লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়বে। শরীর থেকে টক্সিন সহজে বের হবে। তবে এই মিশ্রণে মধু না মেশানোই ভালো। কারণ অনেকসময় চিনি বা মধু ইনসুলিন বাড়িয়ে ইউরিক অ্যাসিড আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। 

হলুদ ও আদা

হলুদে রয়েছে কারকিউমিন যা প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে। এটি জয়েন্টের ব্যথা কমায়। আদা রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। দু'টির মিশ্রণ ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে ভালো কাজ করে। আধা চা চামচ হলুদ এবং ছোট এক টুকরো আদা গরম পানিতে ফুটিয়ে দিনে ১ বার পান করতে পারেন।

Trifola

ত্রিফলা চূর্ণ

দেহের তিন দোষ বাত, পিত্ত, কফের সমতা বজায় রাখে ত্রিফলা। এটি হজমশক্তি উন্নত করে এবং কোলন পরিষ্কার রাখে। আর হজম ঠিক থাকলে ইউরিক অ্যাসিড জমা হওয়ার প্রবণতা কমে। রাতে ঘুমানোর আগে ১ চা চামচ ত্রিফলা গরম পানি বা হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খান, উপকার পাবেন। 

গুলঞ্চ

অনেকের বাড়িতেই গুলঞ্চ গাছ আছে। না থাকলে বাজার থেকে কিনে আনতে পারেন। গুলঞ্চ পাতা এবং ডাল সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে তা তুলে ভালো করে গুঁড়ো করে নিন। এবার ওই মিশ্রণে দু'চামচ এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে ফুটতে বসান। ফুটে অর্ধেক হয়ে গেলে ছেঁকে পান করুন। উপকার পাবেন।

Health_SafeFoodGout_Thumb

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে আর কোন নিয়ম মানবেন?

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। টমেটো, মটরশুঁটি, পালং শাক, রেড মিট খেতে হবে কম পরিমাণে। এড়িয়ে চলুন প্যাকেটজাত খাবার, মিষ্টি ও ভাজাপোড়া খাবার। প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। ৩০ মিনিট হাঁটা বা যোগাসন করতে পারলে আরও বেশি উপকার পাবেন। 

এনএম