images

লাইফস্টাইল

ভাত খেয়েও কমবে ওজন, জানতে হবে সঠিক নিয়ম

লাইফস্টাইল ডেস্ক

১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম

পিৎজা, বার্গার, বিরিয়ানি যতই খাওয়া হোক, পেটে ভাত না পড়া পর্যন্ত যেন বাঙালির তৃপ্তি মেলে না। তাই চিকিৎসক ভাত খাওয়া কমাতে বললেই বেশিরভাগ মানুষের মুখ ভার হয়ে যায়। এটি শরীরে শক্তি সরবরাহ করে এবং মনকে শান্ত রাখে। কিন্তু ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই ভাত খেতে চান না। 

চাইলে কিন্তু ভাত খেয়েও ওজন কমানো সম্ভব। তার জন্য খালি সঠিক নিয়ম জানা প্রয়োজন। কীভাবে ভাত খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, চলুন জানা যাক- 

brown-red-rice-ip-outside-sq

ব্রাউন রাইস

ব্রাউন রাইসের বাইরের স্তরে আছে ফাইবার, ভিটামিন বি ১২ এবং খনিজ পদার্থ। এই চালের ভাত হজম হয় ধীরে ধীরে। ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে ঘন ঘন খিদে পায় না। এটিকে লো গ্লাইসেমিক লোড বলা হয়। এই ভাত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না বা অতিরিক্ত কার্বস শরীরে চর্বি হিসেবে জমা হয় না। শক্তি বৃদ্ধি করে। 

red_rice

রেড রাইস

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক বলা হয় রেড রাইসকে। প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্টের কারণে এটি লাল রঙের হয়। এই যৌগগুলো প্রদাহ কমায় এবং বিপাক হার উন্নত করে। বিপাক ত্বরান্বিত হলে, শরীর শক্তি হিসাবে সঞ্চিত চর্বিও ব্যবহার করে। 

আয়ুর্বেদ অনুযায়ী, রেড রাইস রক্ত বিশুদ্ধ করতে এবং শরীরের তাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এই চালের ভাত খেলে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা কমে।

rice

ব্ল্যাক রাইস

আয়ুর্বেদিক মতে কালো ভাতকে বিশেষ বলে মনে করা হয়। ব্ল্যাক রাইস ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর ফাইবার ও প্রোটিন থাকে, যা পেট ভরা রাখে খিদে কমায়, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে। 

এর অ্যান্থোসায়ানিন নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরে চর্বি জমা কমাতে এবং বিপাক ক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। যা ওজন কমানোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আরও পড়ুন- 
 
 
 

rice

বাসমতি চাল

বাসমতি চালে আছে অ্যামাইলোজ নামক এক ধরনের স্টার্চ, যা ধীরে ধীরে হজম হয়। এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা কমাতে সাহায্য করে। সাধারণ চালের তুলনায় বাসমতি চালের ক্যালোরি ও ফ্যাট কম থাকে, যা সামগ্রিক ক্যালোরি গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে। 

বাসমতি চালে যথেষ্ট ফাইবার থাকে, যা হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ফলে ওজন সহজে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। 

এনএম