লাইফস্টাইল ডেস্ক
১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:১২ পিএম
কেউ দিনে খুব কম প্রস্রাব করেন। আবার কেউ ঘন ঘন যান শৌচালয়ে। পানি কম খেলে প্রস্রাব কম হয় আর বেশি খেলে মূত্রত্যাগের প্রবণতা বাড়ে— এটা স্বাভাবিক। কিন্তু দিনে কতবার প্রস্রাব হলে তা স্বাভাবিক পরিসরে থাকবে? কখন এই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি।
কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞের মতে, সাধারণত দিনে আট বার এবং রাতে এক বার প্রস্রাব করাকে স্বাভাবিক বলেই ধরা হয়। কিন্তু রাতে বার বার প্রস্রাব পাওয়া, এবং শৌচালয়ে গেলে খুব কম পরিমাণ প্রস্রাব হলে তা নিয়ে সচেতন হতে হবে।

দিনে আট বারের বেশি প্রস্রাব হলেই যে তা অস্বাভাবিকের তালিকায় ফেলতে হবে, এমনটা নয়। চিকিৎসকের মতে, আসলে প্রস্রাব কতটা হবে, কত বার টয়লেটে যেতে হবে, তা কিছুটা মরসুম এবং তরল খাবার গ্রহণের উপর নির্ভর করে। কেউ বেশি পানি খেলে, বার বার চা-কফি খেলে প্রস্রাব পেতে পারে। কিন্তু আট বারের চেয়ে খুব বেশি বার যেতে হলে তা স্বাভাবিক হবে না।
ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়া মানে কি ডায়াবেটিসের লক্ষণ, না কি তা কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দেয়? এমন প্রশ্ন থাকে অনেকের মনেই। কারণ, কিডনি ভালো আছে কি না, তা অনেক ক্ষেত্রেই বোঝা যায় প্রস্রাবের মাত্রা, রং, গন্ধের দ্বারা। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে প্রস্রাবে তার প্রভাব পড়বেই।

জ্বর, উচ্চ রক্তচাপ, পেটে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট আর তার সঙ্গে বার বার প্রস্রাবের প্রবণতা থাকলেও তা কিডনির অসুখের লক্ষণ হতে পারে।

চিকিৎসকরা বলছেন, এই ধরনের উপসর্গের মধ্যে কোনো একটি থাকলেই সাবধান হওয়া প্রয়োজন। মূত্র পরীক্ষা এবং রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যায় শরীরে সংক্রমণ রয়েছে কি না। সেই রিপোর্টের উপর এবং উপসর্গের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
এনএম