Dhaka Mail Logo

লাইফস্টাইল

প্রস্রাবে এসব সমস্যা দেখলেই বুঝবেন কিডনি ভালো নেই

লাইফস্টাইল ডেস্ক

১৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:১১ পিএম

আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো কিডনি বা বৃক্ক। এটি রক্ত পরিশোধন করে, বিষাক্ত পদার্থ নির্গত করে এবং শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে। তাই সর্বদা কিডনির যত্ন নেওয়া জরুরি। 

অনেকেই কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো বুঝতে পারেন না। অথচ এসব লক্ষণে গুরুত্ব দিলে কিডনি রোডের সঙ্গে লড়া সহজ হয়। বিশেষত যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে তাদের কিডনি রোগের ঝুঁকি বেশি। কিডনির ক্ষতি হলে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন দেখা যায় প্রস্রাবে। চলুন এসম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই- 

What_is_the_Normal_Urine_Protein_Creatinine_Ratio_6c479481-759d-4a60-9d98-28449a1fb04c

ঘন ঘন প্রস্রাব

আপনি যদি ঘন ঘন প্রস্রাব করেন এবং রাতের বেলা এর পরিমাণ বেড়ে যায় তাহলে তা হতে পারে কিডনি রোগের উপসর্গ। কেননা কিডনি পরিশোধন করার ক্ষমতা যখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন ঘন ঘন প্রস্রাব পায়। 

আরও অনেক কারণেও প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেও কিডনি সমস্যা এর অন্যতম কারণ। তাই সময় থাকতে পরীক্ষা করিয়ে নিন। কখনো কখনো এটি পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের সংক্রমণ বা বর্ধিত প্রোস্টেটের লক্ষণও হতে পারে।

early-warning-signs-of-kidney-failure

প্রস্রাবে রক্ত

সুস্থ কিডনি সাধারণত রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ পরিশোধন করে প্রস্রাব তৈরির জন্য শরীরে লোহিত রক্তকণিকা বজায় রাখে। এই ক্ষমতা যখন কমে যায়, তখন এই রক্তকণিকাগুলো প্রস্রাবে প্রবেশ করে, যা প্রস্রাবকে লাল করে তোলে। 

আরও পড়ুন- 

প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া কিডনি রোগ নির্দেশ করার পাশাপাশি, টিউমার, কিডনিতে পাথর বা সংক্রমণের লক্ষণও হতে পারে। 

treatment-of-kidney-diseases-at-urology-urologist-2025-04-01-20-39-00-utc-1-1024x683

প্রস্রাবে ফেনা 

প্রস্রাবে হালকা ফেনা হতেই পারে। কিন্তু প্রস্রাবে যদি খুব বেশি ফেনা হয়, এমনকি কয়েকবার ফ্লাশ করতে হয় তাহলে বুঝবেন কিডনিতে অবশ্যই কোনো সমস্যা আছে। অতিরিক্ত ফেনা আসা মানে প্রস্রাবে প্রোটিনের উপস্থিতি নেই। 

আরও পড়ুন- 

ডিম ফেটানোর সময় যে ধরনের ফেনা বা বুঁদবুঁদ দেখা যায়, প্রস্রাবে তেমনটা দেখা দিলে, বুঝবেন অ্যালবুমিনের কমতি রয়েছে। এটি প্রস্রাবের একটি সাধারণ প্রোটিন। যা কিডনি রোগের ইঙ্গিত বহন করে। 

1024px-Blausen_0310_DiabeticNephropathy

প্রস্রাবে কোনো সমস্যা দেখা দিলে হালকাভাবে নেবেন না। সচেতন হোন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কিডনি রোগ যত দ্রুত ধরা পড়বে সুস্থ হওয়া তত সহজ হবে। 

এনএম