images

লাইফস্টাইল

বাগানবিলাসের চা পানে শরীরে যা ঘটবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:০০ পিএম

বসন্তের সঙ্গে বাগানবিলাসের অন্যরকম সম্পর্ক রয়েছে। বাড়ির বারান্দা, সদর দরজা কিংবা বাগান দখল করে থাকে উজ্জ্বল রঙের এই ফুল। কেউ কেউ এই ফুলকে আদর করে কাগজফুলও বলে থাকেন। কারণ এটি কাগজের মতোই পাতলা। 

বাগানবিলাস দেখতে যে সুন্দর সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। জানলে অবাক হবেন, এই ফুলের ঔষধি গুণেরও কিন্তু শেষ নেই। কীভাবে খাবেন বাগানবিলাস? খেলে কী কী সুফল মিলবে— চলুন জেনে নিই। 

tea2

আমেরিকার ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনের সংগ্রহে থাকা একটি গবেষণাপত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাগানবিলাসের ফুল ও পাতায় রয়েছে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ক্যানসার, আলসার, ডায়াবেটিস, প্রদাহ প্রতিরোধক উপাদান। আরও আছে অ্যান্টি অক্সিড্যান্টও। 

গবেষণাটি করেছিল থাইল্যান্ডের মাহিডোল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন জানিয়েছে, গবেষণালব্ধ ফলাফল তারা মিলিয়ে দেখেছে গুগল স্কলার, সায়েন্স ডিরেক্ট, পাব মেড, সাই ফাইন্ডারের মতো তথ্য বিশারদ সংস্থার সঙ্গে। 

tea3

কী কী উপকারে লাগে বাগানবিলাস

বাগানবিলাস ফুলকে ওষুধের মতো খাওয়ার চল রয়েছে তুরস্ক, মেক্সিকোতে। এসব দেশের মানুষ মনে করেন বাগানবিলাস চা, সর্দি-কাশি সারানোর মোক্ষম ওষুধ। এমনকি গলা ব্যথা, আলসার, অস্থিসন্ধির ব্যথা, ডায়রিয়া, ডায়েবেটিসের মতো সমস্যাও দূর করে এই ফুল। শরীরকে ভিতর থেকে দূষণমুক্ত করতেও সাহায্য করে বাগানবিলাস। 

বাগানবিলাস দিয়ে বানাতে পারেন চা

অপরাজিতা ফুলের চা ইতোমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়। স্বাদের চাইতে রঙের জন্যই এর কদর বেশি। সেদিক থেকে বাগানবিলাসও পিছিয়ে থাকবে না। রানি গোলাপি রঙা বাগানবিলাস ফুল গরম পানিতে ভিজিয়ে তৈরি হয় চা। যা দেখতে রঙিন শরবতের মতো লাগে। 

tea4

কীভাবে বাগানবিলাসের চা বানাবেন? 

উপকরণ: ১ কাপ বাগানবিলাসের পাপড়ি, ২ কাপ পানি, এক টুকরো দারুচিনি, ৩-৪টি লবঙ্গ, একটি রসুনের কোয়া এবং মধু।

প্রণালি: পাপড়িগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে পাপড়িগুলো দিন। এবার তাতে দারুচিনি, লবঙ্গ এবং রসুন কুচি মেশান। ভালো করে ফুটিয়ে আঁচ কমিয়ে আরও ১০ মিনিট রেখে দিন। এবার আঁচ বন্ধ করে ছেঁকে নিন পছন্দের স্বচ্ছ পাত্রে। স্বাদমতো মধু মিশিয়ে নিন। 

tea5

সতর্কতা

বাগানবিলাস ফুলের চা পানে অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে গা গোলানো, পেট খারাপের সমস্যাও হতে পারে। ত্বকে র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। তাই এই চা অতিরিক্ত পরিমাণে না খাওয়াই ভালো। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও এই চা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। 

এনএম