লাইফস্টাইল ডেস্ক
৩১ আগস্ট ২০২৪, ০৪:৩৯ পিএম
যন্ত্রণাদায়ক এক সমস্যা নখকুনি। নখের কোণা বাড়ার সমস্যাকেই নখকুনি বলা হয়। বিশেষত পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। বর্ষায় অনেকেই নখকুনি সমস্যায় ভোগেন। কারণ এসময় চারপাশে থাকে কাদা, দূষিত পানি। সেগুলো পায়ে লাগলে নখের কোণায় ময়লা জমে। এই ময়লায় নখের ব্যথার কারণ হয়।
নখকুনি হয়ে হাঁটাচলা করতে বেশ অসুবিধা হয়। নখের পাশের ত্বকে ফাটল সৃষ্টি হয়। যা দিয়ে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। এটি যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কখনো কখনো খুব ছোট করে নখ কাটলে কিংবা নখে কিছুর খোঁচা লেগেও নখের কোণায় ক্ষত সৃষ্টি হয়।

কয়েকটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত-
সাদা ভিনেগার
রান্নাঘরের এই উপাদানটি এক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারেন। ২ কাপ উষ্ণ পানিতে ১ কাপ সাদা ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এই ভিনেগার মেশানো পানিতে ১৫ মিনিট নখকুনি আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। তারপর শুকনা করে মুছে নিন। দুই তিনদিন এমনটা করলেই নখকুনি সেরে যাবে।

টি ট্রি অয়েল
১ চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন ২-৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল। এবার এই মিশ্রণ তুলার সাহায্যে নখকুনি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে মিনিট দশেক রাখুন। দিনে দুই-তিনবার লাগাতে পারলে দ্রুত সেরে যাবে নখকুনি।
রসুন
১ কাপ সাদা ভিনেগারের সঙ্গে মিশিয়ে নিন কয়েক কোয়া রসুন কুচি। এই মিশ্রণ নখকুনি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে পরিষ্কার কাপড় বা ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখুন। যত দিন সমস্যা কাটছে না, তত দিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন।

অ্যাপল সিডার ভিনেগার
২ কাপ পানির সঙ্গে ২ কাপ অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। ওই মিশ্রণে ৩০ মিনিট নখকুনি আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। এরপর শুকনা করে মুছে নিন। দুই-তিন দিনের মধ্যেই নখকুনি সেরে যাবে।
পাতিলেবুর রস
নখকুনি আক্রান্ত জায়গায় দুই এক ফোঁটা পাতিলেবুর রস লাগান। ২৫-৩০ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যত দিন না সারছে, ততদিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন।