লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৮ আগস্ট ২০২৪, ০৩:০৯ পিএম
একটা সাধারণ জীবন কাটাতে চান বেশিরভাগ মানুষ। কিন্তু কাজের চাপ, পরিচিত মানুষের অপরিচিত আচরণ, সম্পর্কের টানাপড়েন, ভুল বোঝাবুঝি, দৈনন্দিন জীবনের নানা ঘটনা জুড়ে যায় জীবনের সঙ্গে। এসবের জেরে নিজেকে ক্লান্ত লাগে, মানসিকভাবে বিধ্বস্ত মনে হয়। কোনো কিছুতেই আর মন বসে না।
কমবেশি সবাই এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। এমনটা হলে কিন্তু নিজেকে ভালো রাখার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। কীভাবে নিজেকে ভালো রাখবেন, চলুন জেনে নিই-

কারণ খুঁজুন
প্রথমেই জানা উচিত মন খারাপের কারণটা কী? অফিসের সমস্যা নাকি ব্যক্তিগত? সমস্যা যাই হোক তা কীভাবে সমাধান করা সম্ভব তা ভাবতে হবে। অনেকসময় এমন অনেককিছু ঘটে যার সমাধান হয়তো চটজলদি মেলে না। এমনটা হলে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায় কি না দেখুন। পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই মন ভালো করার উপায় খুঁজলে কিছুটা হলেও ভালো থাকা যেতে পারে।
ব্যস্ত থাকুন
কারও কারও জীবনে অতিরিক্ত ভাবনা, অন্যের কথা গায়ে মাখার কারণেও মনের আকাশে মেঘ জমে। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাবনা এড়ানোর ভালো উপায় ব্যস্ত থাকা। পছন্দের পদ রান্না করা, গান শোনা, বই পড়ার মতো কাজে নিজেকে যুক্ত রাখুন। এতে খারাপ চিন্তাগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। কারো কথায় যদি খারাপ লাগে তাহলে প্রাথমিকভাবে পাত্তা না দেওয়ার চেষ্টা করুন। অন্যের কথা গায়ে না মাখার অভ্যাস করুন। এতেও ভালো থাকবেন কিছুটা।

ছুটি নিন
মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হলে কিছুদিন কাজ থেকে ছুটি নেওয়া যায় কিনা দেখুন। কয়েকটি দিন কাজ থেকে দূরে থাকলে ক্লান্তি, মন খারাপের সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। বাড়তি ছুটি নেওয়া সম্ভব না হলে অন্তত সাপ্তাহিক ছুটির দিনটিই কাজে লাগান। পছন্দের কাজের মাধ্যমে উপভোগ্য করে তুলুন।
মন খুলে কথা বলুন
মনের কথা কারও কাছে খুলে বলতে পারলেও অনেকসময় মনের কষ্ট, খারাপ লাগা কমে। তাই জীবনে কোনো সমস্যায় পড়লে বিশ্বাসযোগ্য কারো কাছে সে কথা বলতে পারেন। তার কাছে পরামর্শ চাইতে পারেন।

শরীরচর্চায় মন দিন
মানসিকভাবে বিধ্বস্ত থাকলে শরীরচর্চায় মন দেওয়া হয় না। খাওয়াদাওয়াও অনিয়ম হয়। তাই নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে একটু জোর খাটাতেই হবে। সকালে উঠে প্রাণায়াম করুন। এতে শরীরে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। মন শান্ত হয়। তবে একদিনেই এর ফল পাবেন না। অন্তত মাসখানেকের অভ্যাসের পর বুঝতে পারবেন। সেসঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাওয়া আর পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি।
সবার জীবনেই খারাপ সময় আসে। সেগুলোর সঙ্গে নিজেকেই লড়তে হবে। এসব কৌশল কাজে লাগালেও যদি উপকার না মেলে তাহলে মনোবিদের পরামর্শ নিন।
এনএম