লাইফস্টাইল ডেস্ক
১২ জুন ২০২৪, ০৬:০৫ পিএম
বর্তমানে অসংখ্য নারী পিসিওএস সমস্যায় ভুগছেন। ২০২৩ সালের এক সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রতি ১০ জন নারীর একজন এই সমস্যায় ভুগছেন। পিসিওএস এমন একটি শারীরিক পরিস্থিতি যেখানে ডিম্বাশয়গুলো অস্বাভাবিক পরিমাণে অ্যান্ড্রোজেন উৎপাদন করে যার ফলে ডিম্বাশয়ে সিস্ট তৈরি হয়।
পিসিওএস এর কয়েকটি লক্ষণ হলো- ঋতুস্রাবের অনিয়ম, ব্রণ, স্থূলত্ব এবং মেজাজের পরিবর্তন। এই সমস্যা থাকলে কিছু খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। এতে সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। চলুন জেনে নিই বিস্তারিত-

গ্লুটেনযুক্ত খাবার
পিসিওএস এর সমস্যা থাকলে গ্লুটেনযুক্ত খাবার কম খাবেন। গ্লুটেন হলো একপ্রকার প্রোটিন, যা মূলত গম, বার্লি কিংবা বিভিন্ন প্রকার শস্যদানায় থাকে। অর্থাৎ, রুটি, পাউরুটি, বিস্কুট, কেক, বিস্কুট সবকিছুই গ্লুটেনযুক্ত খাবার। অন্তত মাসখানেক এসব খাবার কম খেতে চেষ্টা করুন।
তার বদলে খাদ্যতালিকায় রাখুন গ্লুটেনমুক্ত খাবার রাখুন। কলা, আপেল, নাশপাতি, লেবু, ব্রকোলি, ফুলকপি ইত্যাদি খেতে পারেন। খাদ্যাতালিকায় রাখতে পারেন মিষ্টি আলু, ভুট্টা, কর্ন, স্কোয়াশ, গাজর, বিনস, মটরশুঁটি, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি। বিভিন্ন রকম ডাল, বাদাম, মাছ, মুরগির মাংসও খেতে পারবেন।

দুগ্ধজাত খাবার
দুগ্ধজাত পণ্য অ্যান্ড্রোজেনের মাত্রা বাড়ায়। তাই এসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। পিসিওএস এর সমস্যা থাকলে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার কম খাওয়াই ভালো।
চিনি
যেকোনো সুস্থ মানুষের জন্য চিনি ক্ষতিকর একটি খাদ্য উপাদান। পিসিওএস এর সমস্যা থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। বেশি চিনি খেলে ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি হতে পারে। তাই চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন।

লাল মাংস
পিসিওএস এর সমস্যা থাকলে লাল মাংস খাওয়া একেবারেই ছাড়তে হবে। গরু বা খাসির মাংস খাবেন না। তার বদলে খাদ্যতালিকায় রাখুন মাছ কিংবা মুরগির মাংস। এতে শরীর তার প্রয়োজনীয় ওমেগা ৩ সঠিক পরিমাণে পাবে।
এই খাবারগুলো এড়িয়ে চললে এবং খাদ্যতালিকায় শাকসবজি বেশি করে খেলে ধীরে ধীরে কমবে পিসিওএস এর সমস্যা।
এনএম