লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৬ মার্চ ২০২৪, ১১:১৩ এএম
অনেক শিশু ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। ফলে ক্লান্তি সব সময় তাদের ভর করে। এতে করে অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত হতে পারে শিশুরা। আপনার সন্তানের মধ্যেও যদি এই একই সমস্যা থাকে, তাহলে ঝটপট তার ডায়েটে জুড়ে দিন অতি পরিচিত ৫ খাবারকে। জানুন এসব খাবার সম্পর্কে।
ডুমুরের জুড়ি মেলা ভার
বাংলার এই পুরনো ফলের কদর আজ প্রায় নেই বললেই চলে। তবে জানলে অবাক হয়ে যাবেন, এই তথাকথিত ‘ব্যাকডেটেড’ ফল কিন্তু পুষ্টির ভাণ্ডার। এমনকি এতে মজুত আয়রন, পটশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম মাসলকে রিলাক্স হতে সাহায্য করে। আর সেই সুবাদেই খুব সহজেই চোখে দানা বাঁধে ঘুম। তাই আপনার সন্তানের পাতে আজ থেকেই এই ফলকে জায়গা করে দিন।
আরও পড়ুন: দুধের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে খাওয়া কি ঠিক?
কলার বিকল্প নেই
আপনার সন্তান কি কলা খেতে ভালোবাসে? এই প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যা হয়, তাহলে আর তার ঘুম নিয়ে চিন্তা করে লাভ নেই। কারণ এই ফলে রয়েছে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়ামের ভাণ্ডার যা কিনা পেশিকে বিশ্রাম নিতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এই ফলে খোঁজ মেলে ট্রিপটোফ্যান নামক একটি উপাদানের যা কিনা সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ায়। ফলে খুব সহজেই চোখে নেমে আসে ঘুমপরীরা। তাই আজ থেকেই সন্তানকে নিয়মিত কলা খাওয়ান।

মিষ্টি আলু
ছোট্ট সোনার শরীরে ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি মিটিয়ে ফেলতে চাইলে তাকে নিয়মিত মিষ্টি আলুর পদ রেঁধে খাওয়াতেই হবে। তবে এখানেই শেষ নয়, এই সবজিতে এমন কিছু উপকারী উপাদান রয়েছে যা কিনা ছোট্ট সোনার চোখে ঘুম এনে দেওয়ার কাজেও সিদ্ধহস্ত। তাই আর সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই আপনার বাচ্চার সঙ্গে এই সবজির বন্ধুত্ব করিয়ে দিন। হলফ করে বলতে পারি, এই সবজি কখনও আপনার সন্তানকে নিরাশ করবে না।
অনন্য বাদাম
সন্তানের চোখে ঘুম এনে দিতে চাইলে তাকে নিয়মিত বাদাম খাওয়াতেই হবে। কারণ আমাদের পরিচিত প্রায় সব বাদামেই রয়েছে একাধিক খনিজের ভাণ্ডার যা কিনা পেশির ব্যথা-বেদনা কমায়। শুধু তাই নয়, এইসব উদ্ভিজ্জ খাবারে বেশ কিছুটা পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডেরও খোঁজ মেলে। আর এই উপাদান চোখে ঘুম এনে দেওয়ার কাজে সিদ্ধহস্ত। তাই ছোট্ট সোনাকে পর্যাপ্ত সময় ঘুম পাড়াতে চাইলে তাকে রোজ একমুঠো বাদাম খাওয়াতে ভুলবেন না যেন।

সেরার সেরা ওটস
এই খাবার হল ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম থেকে শুরু করে একাধিক খনিজের আঁতুরঘর। আর এই সমস্ত উপাদান কিন্তু শরীরের হাল ফেরানোর পাশাপাশি চোখে ঘুম বয়ে আনার কাজেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আর এই কারণেই বিশেষজ্ঞরা ছোটদের নিয়মিত ওটস খাওয়ানোর পরামর্শ দেন।
এজেড