Dhaka Mail Logo

আইন-আদালত

আবুজর গিফারী কলেজের সাবেক সভাপতি ও অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম

রাজধানীর মালিবাগে আবুজর গিফারী কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি পদ নিয়ে আপিল বিভাগের আদেশ অমান্যের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

একই সঙ্গে আদালতের আদেশ অমান্য অব্যাহত রাখলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী সময়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আদালত।

রুল পাওয়া দুজন হলেন কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ড. আবু নাসের আহমেদ ইশতিয়াক ও অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ। ড. ইশতিয়াক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক।

আদালতে কলেজের বর্তমান সভাপতি মো. মামুন চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী নূর আল মতিন।

মামলার বিবরণ ও আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবুজর গিফারী কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মামুন চৌধুরীকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে। ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ জুন হাইকোর্ট অপসারণের আদেশ স্থগিত করে রুল জারি করেন।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন সাবেক সভাপতি ড. আবু নাসের আহমেদ ইশতিয়াক ও অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ।

শুনানি শেষে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত গত ৯ সেপ্টেম্বর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রিটকারী মামুন চৌধুরীকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। হাইকোর্টকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তিরও নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

রিটকারীর আইনজীবী নূর আল মতিন অভিযোগ করেন, আপিল বিভাগের ওই নির্দেশনা অমান্য করে ড. আবু নাসের আহমেদ ইশতিয়াক বেআইনিভাবে গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন। কলেজের অধ্যক্ষও তাকে সহযোগিতা করছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আইনজীবী আরও জানান, এ বিষয়ে তাদের আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হলেও তারা তা আমলে না নিয়ে গভর্নিং বডির কার্যক্রম চালিয়ে যান।

শুনানিতে আইনজীবী নূর আল মতিন বলেন, ড. ইশতিয়াক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক। আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অমান্য করে তিনি বেআইনিভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করেছেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মামুন চৌধুরী মঙ্গলবার হাইকোর্টে আদালত অবমাননার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত এ রুল জারি করেন।

আরএনবি/এআর