Dhaka Mail Logo

আইন-আদালত

আইনি সহায়তায় ‘লিগ্যাল এইড সার্ভিস’ চালু করেছে সরকার: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ জুন ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম

আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সারাদেশে নাগরিকদের আইনি সহায়তা দিতে ‘লিগ্যাল এইড সার্ভিস’ চালু করেছে সরকার। নাগরিকদের সহজে সহায়তা নিশ্চিত করতে হটলাইন চালু করা হয়েছে। হটলাইন নম্বর: ১৬৬৯৯। আইনি সহায়তার ক্ষেত্রে প্রবীণদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

‎‎সোমবার (২২ জুন) আসাদগেট ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটোরিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে এ আশ্বাস দেন তিনি।

‎‎আইনমন্ত্রী বলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চালু হওয়া লিগ্যাল এইড সার্ভিস আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বা সহায়-সম্বলহীন বিচারপ্রার্থীদের বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদান করবে।

‎‎তিনি আরও বলেন, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বিদ্যমান। সবচেয়ে কম সময়ে আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের মামলা শেষ করেছি। এ ছাড়াও, ঝিনাইদহে শিশু তোয়া হত্যা মামলায় আমরা সর্বোচ্চ ৫ কার্যদিবসে মামলার কার্যক্রম শেষ করেছি।

‎‎প্রবীণ দিবস উপলক্ষে তিনি বলেন, আমাদের দেশে প্রবীণ হয়ে গেলে সমাজে অবহেলা শুরু হয়। আমরা দেখেছি মিরপুরে এক প্রবীণ নারী তার সন্তানদের দ্বারা অবহেলার শিকার হয়েছেন। তিনি কবে মৃত্যুবরণ করেছেন তা সন্তানরা জানে না। অথচ, তার সন্তানরা সবাই উচ্চ শিক্ষিত। কেউ সরকারের মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদে, কেউ বুয়েটের মতো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। এমন উচ্চশিক্ষিত হয়ে উচ্চপদে থেকে বয়স্ক মায়ের খোঁজ নেয় না কেউ। আমাদের দেশে আইন দিয়ে মানবিকতা শেখানো যাবে না।

‎‎তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেটে প্রথমবারের মতো প্রবীণদের জন্য আমরা সেবা চালু করেছি। যারা প্রবীণ আছে, তাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে একটা ভাতা দেওয়া হবে। ৯০ বছরের বেশি বয়স্কদের জন্য এক হাজার টাকা ভাতা ধার্য করা হয়েছে। প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা করে গৃহকর্মী কিংবা মহিলা সদস্যদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে।

‎‎‎‎আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখি নারী শিশু নির্যাতনের মামলা যৌতুকের জন্য নির্যাতন এমন মামলায় প্রমাণ করার হার ১ শতাংশ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে যখন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না; তখন পরিবারের সকল সদস্যেদর বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা করছে। এমনকি বৃদ্ধ শ্বশুর কিংবা বৃদ্ধা শ্বাশুড়িসহ পরিবারের ননদ, দেবরসহ কয়েকজনের নামে মামলাগুলো হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ডিভোর্স হওয়ার পর এমন মামলা করা হয়। যার কোনো ভিত্তি নেই। এমন ঘটনাগুলো আমরা সামনে রেখে নারী নির্যাতন ও যৌতুক নিরোধ আইন সংশোধন করার পরিকল্পনা করছি।


‎একেএস/এফএ