নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ মে ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম
জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতি ও শেয়ারবাজার কারসাজির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পিছিয়েছে। নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত নতুন করে আগামী ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেছেন।
বুধবার (২০ মে) এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য ধার্য ছিল। তবে এদিন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক তা জমা দিতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ প্রতিবেদন দাখিলের দিন আগামী ২৭ জুলাই ধার্য করেছেন। আদালতে দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ১৭ মে দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন মামলাটি করেন। পরে ১৬ জুন আদালত তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন, সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভির নিজাম।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আসামিরা বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ফটকা ও প্রতারণামূলক লেনদেনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কারসাজি করতেন। সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে নির্দিষ্ট শেয়ারের কৃত্রিম দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করে তারা ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকার বেশি আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে আবুল খায়ের (হিরু) ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকা বিভিন্ন খাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এজাহার থেকে আরও জানা যায়, হিরুর ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এছাড়া হিরুর কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও সোনালী পেপারস লিমিটেড–এর শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেন এবং মার্কেট ম্যানিপুলেশনে অংশ নিয়ে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা আত্মসাৎ করেন।
এমএইচএইচ/এমআই