images

আইন-আদালত

মনিরা শারমিনের রিট শুনানি কার্যতালিকা থেকে বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ মে ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন শুনানির কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের একজন বিচারপতির বাড়ি আর রিটকারী মনিরা শারমিনের বাড়ি একই গ্রামে। এ কারণে রিটটির শুনানি নিতে বিচারক অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে আদালত রিটটি আউট অব লিস্ট করেন।

সোমবার (৪ মে) বিকেলে রিটটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হলে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সেটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।

এসময় রিটকারী আইনজীবীদের উদ্দেশে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বিচারপতি বলেন, বিষয়টি আগে উপস্থাপন করলে হয়তো আগেই বলা যেত। যিনি প্রার্থী ওনার বাড়ি ও আমার গ্রামের বাড়ি একই এলাকায়। তাই এ রিটের শুনানিতে অপারগতা প্রকাশ করছি।

অন্য একটি বেঞ্চে রিট আবেদনটি উপস্থাপন করা হলে আগামীকাল মঙ্গলবার শুনানির জন্য থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. আনোয়ার ও মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন।

এর আগে, সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মনিরা শারমিন গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করেন।

গত ২৩ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তা এনসিপি নেত্রীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। কারণ হিসেবে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য নন।

এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি ২৬ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন জমা দেন। তবে পরদিন দীর্ঘ শুনানির পর নির্বাচন কমিশন তার আপিল খারিজ করে দেয়। এরপর তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

মনিরা শারমিনের হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি ছাড়েন। সেই হিসাবে চাকরি ছাড়ার পর এখনো তিন বছর পূর্ণ হয়নি।

এফএ