images

আইন-আদালত

হত্যাচেষ্টা মামলায় রিয়াদসহ চারজন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৩ এএম

রাজধানীর প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদারকে হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান ওরফে রিয়াদসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন।

কারাগারে পাঠানো অন্য তিনজন হলেন মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার। তারা সবাই একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

গত বছরের ২৬ জুলাই রাজধানীর গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে আলোচনায় আসেন রিয়াদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার চারজনকে আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১ মার্চ জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নির্জনের সঙ্গে অভিযুক্তদের পূর্বশত্রুতা ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থতলার ৪১২ নম্বর কক্ষে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস ও সমাবর্তনে অংশগ্রহণের বিষয় নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এক পর্যায়ে রিয়াদের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনের পিঠ ও বুকে আঘাত করেন। পরে রাজ্জাক ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্জনের মুখে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

নির্জনের সহপাঠী ও কয়েকজন শিক্ষক এগিয়ে এলে তাদেরও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তদের আটক করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাদী হয়ে রিয়াদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গুলশান থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আগামী ১ মার্চ নির্ধারিত জামিন শুনানিতে পরবর্তী আইনি অগ্রগতি নির্ধারিত হবে।

এফএ