নিজস্ব প্রতিবেদক
০১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের প্রতি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আদালতের কর্মঘণ্টার মধ্যে কোনো বিচারক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন না এবং একই সঙ্গে মামলার রায় ও আদেশ প্রদানে কোনো ধরনের বিলম্বও গ্রহণযোগ্য হবে না। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অভিভাষণে দেশের সব জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে কঠোর নির্দেশনা দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি আদালতের পরিবেশ উন্নত রাখা, দ্রুততম সময়ে আদেশ ও রায় প্রদান, সততা বজায় রাখা এবং বহিরাগতদের কোর্টে প্রবেশ নিষিদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিচারকদের নির্দেশ দেন।
অধস্তন আদালতের বিচারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। বিচার আসনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ নেই। কারও বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে চড়া মূল্য দিতে হবে।
রায় প্রদানে দেরি না করার নির্দেশ দিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তির তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে রায় প্রকাশ করতে হবে। বিলম্ব হলে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়বে, যা কাম্য নয়।
এছাড়া আদালত ও কোর্ট প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, এজলাস কক্ষে বহিরাগতদের প্রবেশ বন্ধ করা, হকারদের নিষিদ্ধ করা এবং আইনজীবীদের ড্রেসকোড মানা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, অধস্তন আদালতের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা এবং আদালতের কর্মঘণ্টা সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এমএইচএইচ/এএস