নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৫২ পিএম
গণঅভ্যুত্থানে পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। সেখানে থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশবিরোধী নানান কার্যকলাপ পরিচালনা করছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে হটিয়ে আবার ক্ষমতা দখলের অভিযোগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) পররাষ্ট মন্ত্রণালয়কে ভারতীয় হাই কমিশনের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার বিষয় আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া।
নোটিসে আইনজীবী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনা এবং তার বোন শেখ রেহানা ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন। ভারত কোন আইনের বলে আশ্রয় দিয়েছে তা কখনোই স্পষ্ট করেনি। তাছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে পটিয়ে ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাদের এই ষড়যন্ত্রের বিভিন্ন তথ্য জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে।
সম্প্রতি দেশের জাতীয় একটি পত্রিকায় ব্যাংক লুটেরা এস আলমের সঙ্গে শেখ হাসিনার একটি বৈঠকের খবর প্রকাশিত হয়েছে। সেই সূত্র মতে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে জানিয়েছে দৈনিকটি। এই টাকা দেশকে অস্থিতিশীল করতে এবং বর্তমান সরকারকে হঠাতে ব্যবহৃত হবে।
আইনজীবী বলেন, শেখ হাসিনার এসব বেআইনি কাজ ভারত সরকার প্রতিহত না করে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছে। ভারত সরকারের এই ধরনের কার্যকলাপ দেশের জনগণের মনে আতঙ্ক তৈরি করছে যা ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশনস, ১৯৬১’ এর ৪১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এসব কারণে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি এবং ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানোর দাবি করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে লিগাল নোটিস পাঠান গোলাম কিবরিয়া।
ক.ম/