images

সাক্ষাৎকার

৫০ বছর পরে ওসমান হাদির দর্শন আরও প্রাসঙ্গিক হবে: কবি জিয়া হক

কাজী মুস্তাফিজ

২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে নিয়ে লেখা কিছু গান সম্প্রতি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- হাদির জিন্দাবাদ; হাদি তুই ফিরে আয়; গুলি-টুলি হাদিদের চুলটাও ছেঁড়ে না; ওসমান হাদি মাহদির ঝংকার; কোটি হাদির ডাকসহ বেশ কিছু গান। এগুলো লিখেছেন কবি জিয়া হক।  

 

ছড়াগ্রন্থ ‘গন্ধরাজের ডানা’ (২০০৫) দিয়ে শুরু কবি জিয়া হকের কাব্যরচনা। তারপর ২০১৩-তে বের হয় কিশোরকাব্য ‘বন নাচে মন নাচে’, অনুকাব্য ‘মিস তোকে মিস করি’ এবং ২০২৩ সালে কিশোর কবিতার বই 'ঢেউ দোলানো নদীর মায়া'। প্রথম সারির সব দৈনিক ও অনলাইনে তার লেখা ছাপা হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাময়িকীতে মুদ্রিত ছড়া-কবিতার সংখ্যা সহস্রাধিক। জিয়া হক লেখাপড়া করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। দীর্ঘদিন ছিলেন সাংবাদিকতায়। বর্তমানে মানুষ গড়ার কারিগর, শিক্ষকতা পেশায়। সদালাপি, মিষ্টভাষী, স্বাপ্নিক ও রোমান্টিক। মাদারীপুরের শিবচরে জন্ম জিয়া হকের। লেখালেখিতেই জগতের সমস্ত স্বস্তি দেখতে পান। ঢাকা মেইল পাঠকদের জন্য জিয়া হকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কাজী মুস্তাফিজ— 

ঢাকা মেইল:  আপনার বেশ কিছু কবিতা সম্প্রতি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কবে থেকে আপনার কবিতা লেখা এবং কেন? 
জিয়া হক: হ্যাঁ, সবগুলো কবিতা ও সংগীত ভাইরাল হয়েছে। ব্যাপারটা অবিশ্বাস্য। হাজার হাজার কভার হয়েছে। তাও ভাইরাল। বলতে হয়, ভাইরালও ভাইরাল হয়ে গেছে। ‘গুলি-টুলি হাদিদের চুলটাও ছেঁড়ে না’ কবিতাটি খান সাহেব প্রথমে আবৃত্তি করেন। সেটা ভাইরাল হয়। পরে শিল্পী আবু ওবায়দার কণ্ঠে ‘হাদি তুই ফিরে আয়’ সংগীতটি ভাইরাল হয়। এরপর একই শিল্পীর কণ্ঠে ‘হাদির জিন্দাবাদ’ ভাইরাল হয়। এমনকি হাদির জিন্দাবাদ এক সপ্তাহেরও বেশি সময় রিলস-এ সারা ওয়াল্ডে প্রথম ছিল। জিয়া হকের নাম ছিল সার্চে টপ ওয়ানে।  

লেখালেখি শুরু ক্লাস সেভেন থেকে। ছড়া-কবিতা দিয়ে মূলত লেখালেখির শুরু। তখন লেখালেখির কোনো কারণ জানতাম না। ছড়া লিখতাম। জাতীয় দৈনিকে পাঠাতাম। ছাপা হতো। আমার কোনো লেখা কোনো পত্রিকা ফেলে দিতে পারেনি। সেই সেভেনের ঘটনা বললাম। 

zia_haq
কবি জিয়া হক

 

ঢাকা মেইল: শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে কতোটি কবিতা লিখেছেন, এবং এগুলো লেখার অনুপ্রেরণা কীভাবে পেলেন?   

জিয়া হক: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে লেখা কবিতার সংখ্যা অনেক। ত্রিশের অধিক। সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। প্রতিদিনই টুকটাক লিখছি। মানুষ যে যার মতো আবৃত্তি করছে। গাইছে। সুর করছে। র‌্যাপ গান বানাচ্ছে। প্রায় সবই ভাইরাল। আমাকে অনেকে লিংক পাঠায়। ১০ হাজারের অধিক টেক্সট পেয়েছি। পড়ার সময় পাই না। এত এত সাড়া, সত্যিই অবিশ্বাস্য।  

শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে লেখার অনুপ্রেরণা দরকার হয় না। তিনি আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু। প্রায় ২০ বছরের বন্ধুত্ব আমাদের। এত বছরে কোনো দিন তার সাথে কোনো বিষয় নিয়ে সামান্য তর্কও হয়নি। আগস্ট পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়েও আমাদের বন্ধুত্ব ছিল সীমাহীন গাঢ। আসোলে আমরা ছিলাম আপন ভাইয়ের মতো। তো এসব কারণে তার প্রতি আমার আলাদা আবেগ কাজ করে। তারপর তিনি শুধু আমার বন্ধুই নন, তিনি আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। বিরল ইতিহাস। তার ন্যায়-নীতি ও ইনসাফ কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করবে। এসব মিলিয়েই আসলে লেখাগুলো চলে এসেছে।  ভাইরাল লেখাগুলো দেখবেন, ইচ্ছে করেই লেখা যায় না।  আমার খাওয়া-দাওয়া-ঘুম কিছুই ঠিক ছিল না। স্বাভাবিক কোনো রুটিনের মধ্যে ছিলাম না। শুধু টাইপ করতে যে সময় যেত ততটুকু সময়ে লেখা হয়ে গেছে। মানে মুখস্থ লেখার মতো। এসব তো আপনি চেষ্টা করে লিখতে পারবেন না। আমার চেয়ে অনেক বড় বড় কবি-সাহিত্যিক তাকে নিয়ে প্রচুর লিখেছেন। সেগুলো সেই অর্থে প্রভাব বিস্তার করেনি। একুশে পদকপ্রাপ্ত একজন কবি বললেন, ‘জিয়া, একটা কবিতা লিখেও কোথাও প্রকাশ করিনি। তোমার এসব কবিতা ও গানের কাছে আমাদের লেখা নস্যি।’ 


 
ঢাকা মেইল:  ওসমান হাদিকে নিয়ে লেখা কবিতার জনপ্রিয়তার কারণ কী বলে মনে করেন? 
জিয়া হক: জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন ওসমান হাদি। এর আগে কোটা আন্দোলনেও তাকে অগ্রভাগে দেখেছি। বিশেষ করে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ওসমান হাদি জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। জুলাই শহীদদের অধিকার রক্ষা, আওয়ামী লীগ নিষেধাজ্ঞা আন্দোলন এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী সক্রিয় রাজনীতির কারণে হাদি দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন।  হাদির বিরল সততা, জ্ঞান-গরিমার গভীরতা, ইতিহাস সচেতনতা, কথা বলার স্পষ্টতা, ধারোলো যৌক্তিক বক্তব্য ও ন্যায়-ইনসাফের পতাকাবাহী হিসেবে তিনি অসামান্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বিশেষ করে তিনি কালচারাল ফ্যাসিস্ট নিয়ে সীমাহীন তৎপর ছিলেন। তার প্রতি সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের অসামান্য ভালোবাসা। ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবরে সারা দেশ নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। অসংখ্য মানুষ রোজা রেখেছে তার মাগফিরাত কামনায়। এখনো প্রতিদিন তার কবর জিয়ারতে শত শত মানুষ ভিড় করে। 

zia_haq_ii
কবি জিয়া হক

 

ঢাকা মেইল: ওসমান হাদির আধিপত্যবাদবিরোধী এবং বাংলাদেশপন্থি দর্শন সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? 
জিয়া হক: আমাদের দেশের প্রায় সকল বুদ্ধিজীবী, কবি-লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট ও সাংস্কৃতিক কর্মী স্থান-কাল-পাত্রভেদে কথা বলেন। আহমেদ ছফা ১৯৭২ সালে লিখেছেন, ‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ তাই বুদ্ধিজীবীসহ সবাইকে  নিয়েই কম-বেশি তর্ক-বিতর্ক সমাজে বিদ্যমান। এদিকে ওসমান হাদি একাই আধিপত্যবাদবিরোধী কথা-বার্তা বেশি বলতেন। আমাদের এলিট ও পশ শ্রেণি তো এ ব্যাপারে ‘ঝিনুক নীরবে সহ’র মতো। যেসব বিষয়ে প্রতিবাদে, কথা-বার্তায় কোনো রিস্ক নেই, তারা সেসবে তৎপর। অতিউৎসাহী। এইদিক দিয়ে শহীদ ওসমান হাদি (রহ.) ছিলেন আতঙ্কের নাম। আমরা বাঙালি না বাংলাদেশি— এই বেহুদা তর্ক বহুদিনের। আমি বাংলাদেশি। যিনি প্রবাসে স্থায়ী তিনি বাঙালি। কথা সহজ। সহজ বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক সময় অপচয় মাত্র। বাংলাদেশপন্থি ব্যাপারটা এমনই। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশপন্থি দর্শনের বিকল্প আছে বলে মনে করি না। তাই ওসমান হাদির আধিপত্যবাদবিরোধী এবং বাংলাদেশপন্থি দর্শনে ন্যূনতম ভুল নেই। আমরা অনেকে এসব বুঝি না। ১০-২০-৫০ বছর পরে ওসমান হাদির কথা আরো প্রাসঙ্গিক হবে।
 
ঢাকা মেইল: আপনার কবিতায় ফ্যাসিবাদবিরোধী মন্তব্য আছে। সমাজে ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধে নাগরিকদের করণীয় কী? 
জিয়া হক: ফ্যাসিবাদবিরোধী মন্তব্য বা লেখা তো আমার নতুন নয়। সকল সময়ে সকল কালে আমরা সমান। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমরা আমৃত্যু সোচ্চার। একটি কথা বলি, অনেক সময় আমরা ফ্যাসিস্ট তাড়াই মূলত নতুন করে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে। তাই এখনো যেন কেউ ফ্যাসিস্ট না হয়ে ওঠে সে ব্যাপারে আমরা তৎপর। সমাজে ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধে নাগরিকদের করণীয় নাগরিকরাই ঠিক করে নেবেন। ফ্যাসিস্ট পতনে তাদের ভূমিকা দেখেছেন নিশ্চয়ই? নানা সময়ে নানাভাবে ফ্যাসিস্ট তৈরি হয়েছে এবং ফ্যাসিস্ট তাড়াতেও নাগরিক নানাভাবে, নানা পথে দাঁড়িয়েছে। প্রকৃতি কখনো শূন্যতা পছন্দ করে না। প্রকৃতিই প্রয়োজনে এসব ঠিক করে নেবে। 
 
ঢাকা মেইল: বাংলাদেশপন্থি সংস্কৃতি কী? 
জিয়া হক: বাংলাদেশপন্থা কথাটার মধ্যে জাতীয়তাবাদের যে সামান্য ঝোঁক, সেটা আমাদের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার জন্যই আছে। থাকবেও। কারণ তিন দিকে ‘খেয়ে ফেলব’ বলা ‘বন্ধু’ আর ওইদিকে মিয়ানমারের হুমকি। এসব হুমকি অপসারিত হলে আমরাও একদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো স্বার্থ বজায় রাখার মিতালি পাতাব।

বাংলাদেশপন্থি বলতে আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থকে ভীনদেশি বিরোধিতার রূপ থেকে সরাতে চাই। অ্যান্টি-ইন্ডিয়ান, অ্যান্টি-পাকিস্তানি বা অ্যান্টি-আমেরিকান এসব কোনো রাজনীতির পরিচয় হতে পারে না। আমাদের রাজনীতি হোক প্রো—মানে ইতিবাচক। তাই আমরা বাংলাদেশপন্থি। 

বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও রাজনীতির মিলনবিন্দুই বাংলাদেশপন্থি। আমেরিকা-ইউরোপে বহুত্ববাদ জরুরি, কারণ সেখানে জাতিবর্ণে আসলে মিল নেই। বাংলাদেশপন্থি মানেই ১৭৫৭, ১৮৫৭, ১৯৩৫-৩৬, ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯১ এবং ২০২৪ সকলকেই পুরোপুরি ধারণ করে। এই যে চাল-চলন ও আচার-ব্যবহারে সবাই মিলে একাকার, দারুণ এজমালি মিলের সমাজ—এটাই বাংলাদেশি সমাজের অমিত শক্তি। অপার সম্ভাবনা। এই মিলনের মোহনায় কাতারে কাতারে শামিল হওয়াকেই বলবো বাংলাদেশপন্থি। আমাদের কাছে সবার আগে বাংলাদেশ। 

 

ঢাকা মেইল: শিশুদের সুস্থ সংস্কৃতিতে গড়তে কোন বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দেওয়া উচিত? 

জিয়া হক: শিশুদের সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশে সহযোগিতার বিকল্প নেই। একজন মানুষ তার সংস্কৃতির দ্বারা ভীষণভাবে প্রভাবিত। আমাদের শিশুদের জন্য মাদরাসা-স্কুল নির্বাচন সঠিক হতে হবে। দেশীয় সংস্কৃতিকে অবজ্ঞা করা যাবে না। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হবে। শিশুর পাঠ্য বইয়ের বাইরেও যে বিশাল জগত আছে সে বিষয়ে তাকে জানাতে হবে। গুটি কয়েক পড়ার বইয়ের মধ্যে শিশুর জীবনটাকে আটকে ফেলা যাবে না। অন্য বইয়ের জগৎ, সিনেমা-নাটক-গানের জগৎ সম্পর্কে জানাতে হবে। বোঝাতে হবে। শিশুকে আগামী শতকের জন্য উপযুক্ত করতে হলে এগুলোর সঙ্গে তার পরিচয় ঘটাতে হবে। ইসলামি সংস্কৃতিতে কী নেই! ইসলামি সংস্কৃতি সম্পর্কে শতভাগ জানাশোনা থাকতে হবে। কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াস জানতে হবে। 

ভাসা ভাসা জ্ঞান দিয়ে কিছু হয় না। যেকোনো বিষয়ে প্রো লেবেলের জানা-শোনা দরকার। পারিবারিক মূল্যবোধ শেখাতে হবে। বিশেষ করে পরিবারের মধ্যে বিজাতীয় সংস্কৃতি এড়িয়ে চলার বিকল্প নাই। চিরায়ত বাংলাদেশি পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা করতে হবে। দায়িত্বশীল অভিভাবক হতে হবে। শিশুর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে আপনার ইমপ্যাক্ট যেন থাকে। বাবা-মায়ের কথা যেন শোনে সন্তান। সবার আগে তো ভালো মানুষ হতে হবে। সন্তান যেন ভালো মানুষ হয়। 

সন্তানকে ভালো-মন্দ, ন্যায়-নীতি, ইনসাফ শেখাতে হবে। সন্তানকে শ্রেণিবিভাজন শেখানো যাবে না। ‘ও বাংলা মিডিয়াম, ক্ষেত’, ‘ওরা গরিব’ ‘ও গ্রাম্য’, ‘ওর বাবা কিছু করে না, আমার বাবা বড় জব করে’, ‘ও কালো’, ‘ও ফর্সা’ ইত্যাদি বলে সাম্প্রদায়িকতা আর শ্রেণিবিভাজনের বিষ সন্তানের অন্তরে প্রবেশ করানো যাবে না। সন্তানের স্বপ্নগুলোকে বড় করুন, সন্তানকে বড় বড় স্বপ্ন দেখতে শেখান। শুধু দুনিয়াকেন্দ্রীক শিক্ষা দিলে হবে না। আখেরাতমুখি করতে হবে। যার আখেরাত নেই, তার কিছুই নেই। জাগতিক সফলতা মানুষকে তেমন কিছুই দেয় না। 

ঢাকা মেইল: তরুণ কবি-লেখকদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী? 
জিয়া হক: পরামর্শ দেওয়ার আমি কেউ নই। আমি নিজেই ভালো পরামর্শ খুঁজি সব সময়। কেউ পরামর্শ দিলে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি মেনে চলার। আমরা লেখাপড়া করি না। লেখাপড়া ছাড়া সবই করি। লেখাপড়ার বিকল্প কিছু আছে? নাই। তাই লেখাপড়া করতে হবে। মানুষকে পড়তে জানতে হবে। প্রকৃতি থেকে শিখতে হবে। জীবনবোধ শিখতে হবে। 

ঢাকা মেইল: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
জিয়া হক: আপনাদের ধন্যবাদ। ঢাকা মেইল পাঠকদের ধন্যবাদ।