আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
দীর্ঘ ১২ বছর পর লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে আবারও দূতাবাস চালু করেছে মিসর। শনিবার (৭ নভেম্বর) দূতাবাসটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয়।
এর মধ্য দিয়ে লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলভিত্তিক সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন বার্তা দিল কায়রো। মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর দ্য ডনের।
এ পদক্ষেপকে মিসরের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, এতদিন দেশটি লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলভিত্তিক সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের অন্যতম প্রধান সমর্থক ছিল। হাফতার ত্রিপোলিভিত্তিক সরকারের প্রতিদ্বন্দ্বী।
২০১৪ সালে লিবিয়ায় সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করলে ত্রিপোলিতে দূতাবাস বন্ধ করে দেয় মিসর।
সেসময় দেশটির রাজধানী ও পূর্বাঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি সরকার গড়ে ওঠে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে অনেক বিদেশি দূতাবাসও কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।
শনিবার দূতাবাস পুনরায় চালুর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি। তিনি বলেন, দূতাবাস ভবনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব মিসর ও লিবিয়ার দীর্ঘদিনের মানবিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতিফলন।
উত্তর আফ্রিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ লিবিয়া ২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতের মধ্যে রয়েছে।
দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেনগাজিতে সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ), পার্লামেন্ট এবং ওসামা হাম্মাদের নেতৃত্বাধীন একটি সরকার রয়েছে।
অন্যদিকে পশ্চিমাঞ্চলের রাজধানী ত্রিপোলিতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ দবেইবার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জাতীয় ঐক্যের সরকার (জিএনইউ)। পাশাপাশি সেখানে রয়েছে হাই কাউন্সিল অব স্টেট।
-এমএমএস