Dhaka Mail Logo

আন্তর্জাতিক

এবার মমতাকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ শুভেন্দুর! 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ পিএম

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স হয়েছে। এই বয়সে ভোটে আর না-দাঁড়ানোই ভাল! নন্দীগ্রাম ছেড়ে ভবানীপুর বিধানসভা আসন ধরে রাখার নেপথ্যে কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এ ভাষাতেই কটাক্ষ করলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

তার মতে, মমতার যা বয়স হয়েছে, তাতে তার এখন বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যয়ের নথি চুরির চেষ্টার অভিযোগ নিয়ে তদন্তেরও আশ্বাস দেন শুভেন্দু। 

তিনি জানান, ঋতব্রতেরা যদি এ বিষয়ে এফআইআর করেন, তবে তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হবে। শুভেন্দুর আশ্বাসের পর পুলিশে অভিযোগ জানানোর বিষয়ে তোড়জোড় শুরু ঋতব্রত শিবিরের।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিধানসভায় বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ এবং শাখারভ সরকার। সেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে শুভেন্দুর বক্তৃতায় উঠে এসেছে নানা প্রসঙ্গ। 

তার সাবেক এপিএস চন্দ্রনাথ রথের খুনের তদন্ত থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামের আসন ছাড়ার কারণও ব্যাখ্যা করেন তিনি। 

শুভেন্দুর মতে, এত দিন সংখ্যালঘুদের দূরে সরিয়ে রাখা হত। সেই সংখ্যালঘুরা রেজিনগরে বিজেপি-কে ভোট দিয়েছে। একই সঙ্গে পালাবদলের পর রাজ্যের উন্নয়নে গত ছ’মাসে তার সরকার কী কী করছেন তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ছয় মাসে যা দেখছেন, সেটা সকালের চা-বিস্কুট। ব্রেকফাস্ট এখনও বাকি। তার পরে তো লাঞ্চ।

বিগত কয়েকটি বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন শুভেন্দু। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি লড়েছিলেন ভবানীপুর থেকেও। 

ভবানীপুরে তিনি রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতাকে হারান। ভোটে জেতার পর ভবানীপুর আসন ধরে রেখে ছেড়ে দেন নন্দীগ্রাম। বুধবার তিনি ব্যাখ্যা করেন নন্দীগ্রাম কেন ছেড়ে দিয়েছেন। 

তার মতে, তিনি যদি ভবানীপুর ছেড়ে দিতেন তবে সেই আসনে আবার দাঁড়াতে পারতেন মমতা। সেই সুযোগ দিতে চাননি। মমতার নাম না-করে শুভেন্দুর কটাক্ষ, ‘ভবানীপুর ছাড়লে যিনি আমার কাছে দু’বার হেরেছেন, তিনি দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে যেতেন। সেই সুযোগটা না দেওয়াই ভাল। এই বয়সে তার না দাঁড়ানোই ভাল। অনেক বয়স হয়ে গিয়েছে। প্রায় ৭৫। এই বয়সে বিশ্রাম নেওয়ার কথা। সেই কারণে আমি নন্দীগ্রাম ছেড়েছি।’

-এমএমএস