Dhaka Mail Logo

আন্তর্জাতিক

নাভি পিল্লাইকে শান্তিতে নোবেল, ‘মানবাধিকারের জয়’ বলল জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম

আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ নাভানেথেম নাভি পিল্লাই। তার এই অর্জনকে মানবাধিকার রক্ষার লড়াইয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখছে জাতিসংঘ।

পিল্লাই জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি রুয়ান্ডার গণহত্যাবিষয়ক ট্রাইব্যুনালের প্রধানের দায়িত্বও পালন করেন। সর্বজনীন আইনি নীতির প্রতি অঙ্গীকার এবং দৃঢ় নৈতিক অবস্থানের জন্য নোবেল কমিটি তাঁকে এ পুরস্কারে স্বীকৃতি দিয়েছে।

জেনেভা থেকে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র শাবিয়া মানতু বলেন, ‘সাবেক মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার নাভি পিল্লাইকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে দেখে খুব ভালো লাগছে। বর্তমান বিশ্বে মানবাধিকারের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব যে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি এটি তারই প্রমাণ।’

বর্তমান জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক বলেন, এই পুরস্কার মানবাধিকার, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির স্বীকৃতি এবং পুনর্নিশ্চিতকরণ। শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিসহ সবকিছুর জন্যই এসব মৌলিক বিষয়।

তিনি আরও বলেন, ‘এটি শুধু পিল্লাই যে মূল্যবোধের প্রতিনিধিত্ব করেন, তারই অসাধারণ স্বীকৃতি নয়; বরং ব্যক্তি হিসেবেও তার স্বীকৃতি। তিনি অত্যন্ত আন্তরিক একজন মানুষ এবং আমার অনেক সহকর্মীর জীবনে গভীর প্রভাব রেখেছেন।’

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কার্যালয়ের সব সহকর্মীর পক্ষ থেকে পিল্লাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে টুর্ক বলেন, ‘নাভি, আপনাকে জানাই উষ্ণ অভিনন্দন এবং জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।’

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর বর্তমান আক্রমণের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক বিচারক নাভি পিল্লাইকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে বলে জানিয়েছেন আদালতটির প্রেসিডেন্ট।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে আইসিসি প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনি ব্যবস্থা ও আইনের শাসন যখন গভীর চ্যালেঞ্জের মুখে, তখন এই স্বীকৃতি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।’

তিনি বলেন, ‘স্থায়ী শান্তির ভিত্তি হিসেবে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, এই পুরস্কার তারই তাৎপর্যপূর্ণ স্বীকৃতি।’

সূত্র: এএফপি


এমএইচআর