আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
গত অগস্টের ভয়াবহ প্লাবনের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ফের ভারী বৃষ্টি ও নতুন করে বন্যার আশঙ্কার মুখে নেপাল।
গত ২৪ ঘণ্টায় পালপায় ১৮৭ মিলিমিটারের বেশি এবং গণ্ডকী, লুম্বিনী ও বাগমতী প্রদেশের বেশ কিছু জায়গায় ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
নেপালের আবহাওয়া বিভাগ পূর্বাভাসে জানিয়েছে, কোশী, বাগমতী, গণ্ডকী, লুম্বিনী ও কার্নালী প্রদেশে মাঝারি থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
গোর্খা, কাস্কি, বার্দিয়া, কৈলালী-সহ ১২টি জেলাকে প্লাবনের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এখনও গত অগস্টের বন্যায় বিধ্বস্ত নেপালে নিখোঁজ ৫২৮৫ জন। সব মৃতদেহ শনাক্ত করা যায়নি। রসুয়া ও ধাদিংয়ের মধ্যে ৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৪১টি সেতু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।
এরই মধ্যে ফের নতুন বৃষ্টিতে পৃথ্বী হাইওয়ের সাতটি জায়গায় ধস নেমেছে। রসুয়ার বিচ্ছিন্ন এলাকায় ড্রোন ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে জরুরি ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে।
সাম্প্রতিক ভোটেকোশী-ত্রিশূলী বন্যার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ বার্তা দিয়েছেন, নেপাল বিশ্বের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে ০.১ শতাংশেরও কম শরিক হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের মাসুল গুনতে হচ্ছে হিমালয় অঞ্চলকে।
উপগ্রহ-তথ্য বিনিময়, হিমবাহ হ্রদ নজরদারি ও যৌথ সতর্কবার্তা চালুর মাধ্যমে হিমালয়কে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গবেষণাগারে পরিণত করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রস্তাব দেন, ভারত, চীন ও নেপালকে নিয়ে ‘হিমালয়ান ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স মেকানিজম’ গড়ার।
-এমএমএস