Dhaka Mail Logo

আন্তর্জাতিক

জাতিসংঘে আইন সুরক্ষার দাবি দ. আফ্রিকা ও মালয়েশিয়াসহ ৪০ দেশের 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০০ পিএম

আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে দক্ষিণ আফ্রিকা ও মালয়েশিয়া একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করে। 

এতে ৪০টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা অংশ নেন। খবর আনাদোলুর।

যৌথ আয়োজক—দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী রোনাল্ড লামোলা এবং মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান-এক বিবৃতিতে বলেন, "আমরা আমাদের এই দৃঢ় বিশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করছি যে, আন্তর্জাতিক আইনের কর্তৃত্ব কেবল এর ঘোষণার ওপর নয়, বরং এর কার্যকর প্রয়োগের ওপরই নির্ভর করে।"

অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার বিষয়টি তদারকির জন্য ১৯৬২ সালের 'বর্ণবাদ-বিরোধী বিশেষ কমিটি'র (Special Committee against Apartheid) আদলে জাতিসংঘের একটি নতুন ব্যবস্থা গঠনের প্রস্তাব করেন। 

পাশাপাশি, ইসরায়েলের ওপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি), এর বিচারক ও কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও ভীতি প্রদর্শনের বিরুদ্ধে সুরক্ষামূলক সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে পূর্ব জেরুজালেমসহ অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার জন্য একটি "জরুরি পরীক্ষা" হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 

এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পরামর্শমূলক মতামত এবং পরবর্তী সময়ে সাধারণ পরিষদের গৃহীত প্রস্তাব সত্ত্বেও আইন লঙ্ঘনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

আলোচনাটি মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়, রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সার্বভৌম সমতার প্রতিফলন ঘটায় এমন একটি বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, রাষ্ট্রগুলোকে তাদের বিদ্যমান আইনি বাধ্যবাধকতা পালনের ক্ষেত্রে "সহযোগিতা বা নীরব সমর্থন (complicity) থেকে সরে এসে আইন মেনে চলার (compliance) পথে" নিয়ে আসা, এবং আন্তর্জাতিক আদালত ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাজে বাধা সৃষ্টিকারীদের ক্ষেত্রে "দায়মুক্তি থেকে সরে এসে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা"।

যৌথ আয়োজকরা জানান, তারা অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখবেন। তারা আন্তর্জাতিক আইন সুরক্ষার বিষয়টিকে কোনো একক রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব হিসেবে না দেখে একটি "যৌথ দায়িত্ব" হিসেবে অভিহিত করেন।

-এমএমএস