Dhaka Mail Logo

আন্তর্জাতিক

ইইউ’র ঋণে ১ হাজার প্যাট্রিয়ট কিনছে ইউক্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১১ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র অপরাগতা প্রকাশের পর মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে প্রায় ১ হাজার প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়েছে ইউক্রেন। 

ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু করেছে কিয়েভে। এই ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে ঋণ দিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন। 

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়েভহেনি খেমারা। খবর রয়টার্সের।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি চুক্তি আছে ইউক্রেনের। সেই চুক্তির আওতায় ঋণ দিচ্ছে ইইউ। এই ‍ঋণের বিনিময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেপণাস্ত্রের মান উন্নয়নে কাজ করতে হবে ইউক্রেনকে।

এছাড়া এই ঋণের একটি অংশ ব্যয় হবে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ড্রোন সরবরাহ খাতে। এই খাতে ২৭ বিলিয়ন ডলার ঘাটতির কারণে ড্রোন সরবরাহ করতে পারছে না ইউক্রেন।

রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের সীমান্তের দৈর্ঘ ১ হাজার ৯২৫ কিলোমিটার। তার মধ্যে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার এলাকায় যুদ্ধ করছে কর্তৃপক্ষ। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, যুদ্ধে সুবিধা করতে না পেরে ইউক্রেনীয়দের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা করছে রাশিয়া।

প্যাট্রিয়ট হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি একটি অত্যন্ত আধুনিক ও মোবাইল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম) ক্ষেপণাস্ত্র—যা শত্রু দেশের বিমান, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঘাত হানতে উদ্যত কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম।

গত জুন মাস থেকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতিতে ভুগছে ইউক্রেন। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে কয়েক বার এই ঘাটতি পূরনে ক্ষেপণাস্ত্র সহায়তা চেয়েছেন, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষেপণাস্ত্র দিতে রাজি হননি।

শেষে গত আগস্ট মাসে জেলেনস্কি ইউক্রেনের অভ্যন্তরে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি চেয়েছিলেন, তা ও নাকচ করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

মার্কিন শান্তি আলোচকদের সফরের সময় সাময়িক বিরতির পর মঙ্গলবার রাশিয়া কিয়েভের ওপর প্রায় অবিরাম ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পুনরায় শুরু করে। 

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানী কিয়েভে পাঁচজন এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আরও কয়েকজন নিহত হয়েছেন।

ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে বৈঠকে বলেন, ইউক্রেনের মিত্রদের সামনে সহায়তা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই, কারণ কিয়েভকে এখন ‘বিভিন্ন রণাঙ্গনে যেসব সুযোগ তৈরি হচ্ছে তা কাজে লাগাতে এবং আকাশপথে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম’ করে তোলা প্রয়োজন।

-এমএমএস