আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি তেলবাহী ট্যাংকার জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার রাতে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় মার্কিন বাহিনীর অভিযানের সময় জাহাজ দুটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের কোনো জাহাজে সরাসরি হামলার ঘটনা এবারই প্রথম। এর আগে ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোর চলাচলে বাধা দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ।
এক মার্কিন কর্মকর্তা এক্সিওসকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ট্যাংকারের বদলে ট্যাংকার’ নীতির অনুমোদন দিয়েছেন। এর আওতায় ইরানের তেলবাহী জাহাজকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
এই নীতির অর্থ হলো, ইরান কোনো ট্যাংকারে হামলা চালালে তার পাল্টা জবাব হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের ট্যাংকারে হামলা চালাবে।
হামলার শিকার দুটি ট্যাংকার ইরানের উপকূলে মার্কিন বাহিনীর নৌ-অবরোধ এলাকার উত্তর দিকে অবস্থান করছিল। এ সময় জাহাজ দুটির ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলায় ট্যাংকারগুলোর ইঞ্জিন রুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সামরিক কমান্ড সেন্টকম জানিয়েছে, গত কয়েক দিনে ইরানের পক্ষ থেকে ট্যাংকার ও মার্কিন সেনাদের ওপর চালানো হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই মঙ্গলবার রাতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এর পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যাতে তাদের রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে না পারে, সে লক্ষ্যেও বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্যাংকারে হামলাকে সেই পরিকল্পনারই একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে ইরানে প্রায় ১০০টি হামলা চালানো হয়েছে।
/এএস