আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো বিয়ে করছেন। সম্প্রতি এ গুঞ্জন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে।
বিলাওয়াল ভুট্টো পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) বর্তমান চেয়ারম্যান। তার আংটিবদল ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আর তার হবু স্ত্রী একজন ইউরোপীয়।
তবে তার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিওটিভি শনিবার (২৯ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলেছে, তার বিয়ের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বর্তমানে ব্যক্তিগত সফরে ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ায় রয়েছেন এবং বিয়ের যাবতীয় কাজকর্ম সম্পন্ন করছেন। তিনি ২৭ আগস্ট দেশটিতে যান এবং ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।
বিলাওয়াল ভুট্টোর বর্তমান বয়স ৩৮ বছর। তিনি ১৯৮৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। বিলাওয়ালের বিয়ে এই বছরের শেষের দিকে হতে পারে এবং তার বাগদত্তা লিশটেনস্টাইনের রাজধানী ভাদুজের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
লিশটেনস্টাইন পশ্চিম ইউরোপের একটি ছোট সার্বভৌম রাষ্ট্র, যা সুইজারল্যান্ড এবং অস্ট্রিয়ার মাঝে অবস্থিত। এর রাজধানী ভাদুজ দেশটির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র।

পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির বিয়ের বিষয়টি গোপনীয়তা রেখে করা হচ্ছে। ফলে পরিবারের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
তবে, পিপিপি এই দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে। করাচির মেয়র মুর্তাজা ওহাব, যিনি বিলাওয়ালের মুখপাত্র হিসেবেও কাজ করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছেন যে পিপিপি চেয়ারম্যানের বাগদান বা বিয়ে সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো “ভুল এবং ভিত্তিহীন”।
বিলাওয়াল বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে বাগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, যার অর্থ এই আলোচিত ঘটনাটি এখনও যাচাই করা হয়নি।
২০২২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশন চলাকালে একজন সাংবাদিক বিলাওয়ালকে তার বিয়ের পরিকল্পনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন।
হেসে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তর দিয়েছিলেন, “অবশ্যই, আমার বিয়ে করার পরিকল্পনা আছে,” কিন্তু কবে বিয়ে করতে চান জানতে চাইলে তিনি আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।
বিলাওয়াল ২০১৬ সালেও এই বিষয়ে কথা বলেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে তার হবু বধূকে প্রথমে তার বোনদের “মন জয় করতে হবে”।
তিনি বলেছিলেন, “সঠিক পাত্রীকে প্রথমে আমার বোনদের মন জয় করতে হবে। আমাকে তার আস্থায় নিতে হবে। আর আমার বোনদের মন জয় করা যেকোনো মেয়ের জন্য খুব কঠিন একটি কাজ।”
-এমএমএস