আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি চলাকালীন গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পশ্চিম এশিয়ার আর এক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড, পশ্চিমতীরে স্থল অভিযান জোরদার করেছে দখলদার ইসরায়েল।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া গাড়ি, ট্যাংক বহর ঢুকে পড়ে ওই ভূখণ্ডে দখলদারি চালাচ্ছে। খবর আল-জাজিরার।
ফিলিস্তিনি মুসলিম জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি এবার তারা পশ্চিমতীরের অবশিষ্ট খ্রিস্টান জনপদ তাইবেতেও শুরু করেছে জবরদখল অভিযান।
গত ৯ আগস্ট থেকে তাইবে জনপদে বহিরাগতদের প্রবেশে বিধিনিষেধ জারি করেছে ইমরায়েলি সেনাবাহিনী।
হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের কৃষিজমি, জলপাই বাগান ও পানির কূপগুলি একে একে দখল করে নিচ্ছে বর্বর ইসরায়েলিরা।
পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি ক্যাথলিক খ্রিস্টান সংগঠনের তরফে ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে উদ্বেগবার্তা পাঠানো হয়েছে ভ্যাটিকানে। উদ্বেগ জানিয়েছে গ্রিক অর্থোডক্স খ্রিস্টান সংগঠনও।
আল জাজিরায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের হামলা ও চাপের জেরে কয়েকটি খ্রিস্টান পরিবার জনপদ ছেড়ে চলে গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের সম্পত্তি জবরদখল করেছে ইহুদিরা।
পশ্চিমতঅরের অন্য কয়েকটি জবরদখল করা অঞ্চলের মতো তাইবেতেও জনবিন্যাস বদলে দিতে তেলআবিব পরিকল্পনামাফিক অভিযানে নেমেছে।
প্রসঙ্গত, অসলো চুক্তির পর পশ্চিমতীরে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’—এই তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়। বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকলেও বিস্তীর্ণ ‘সি’ অঞ্চলে ইসরায়েলের প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত স্বশাসিত ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ সেখানকার প্রশাসন পরিচালনা করেন। ইসরায়েল সেনা অবশ্য আন্তর্জাতিক জনমত উপেক্ষা করেই দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমতীরের একাংশ দখল করে রয়েছে।
-এমএমএস