Dhaka Mail Logo

আন্তর্জাতিক

ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ এএম

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ভূমিকম্পের পর দেশটির কয়েকটি অঞ্চলে সুনামির প্রাথমিক সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূল থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

প্রধান ভূমিকম্পের পর একই এলাকায় কয়েকটি শক্তিশালী পরাঘাত অনুভূত হয়েছে। ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে তিনটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯, ৫ দশমিক ৬ ও ৬ দশমিক ১।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূতাত্ত্বিক সংস্থা (বিএমকেজি) দেশটির পূর্ব নুসা তেঙ্গারা, পশ্চিম নুসা তেঙ্গারা, দক্ষিণ সুলাওয়েসি ও দক্ষিণ-পূর্ব সুলাওয়েসির কিছু এলাকায় সুনামির সতর্কতা জারি করেছে। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সমুদ্রসৈকত ও নদীর তীর থেকে দূরে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। 

ইউএসজিএসের প্রাথমিক মূল্যায়নে, ভূমিকম্পটির কম্পনে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ খুব শক্তিশালী থেকে তীব্র ঝাঁকুনির মুখে পড়েছেন। এমন কম্পনে ভালোভাবে নির্মিত ভবনে সামান্য থেকে মাঝারি এবং দুর্বল ভবনে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। 

প্রাথমিকভাবে ফ্লোরেস দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়ভাবে কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ভূমিকম্পে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত। এই এলাকায় টেকটোনিক প্লেটের সক্রিয়তার কারণে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।

এর আগে ১৯৯২ সালে একই ফ্লোরেস অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সুনামি আঘাত হেনেছিল। ওই ঘটনায় প্রায় আড়াই হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। ফলে নতুন এই ভূমিকম্পের পর সুনামির আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। 

এমআই