Dhaka Mail Logo

আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিনি বন্দিশিবিরের পরিখায় কুমির ছাড়া যাবে না: আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম

ফিলিস্তিনি বন্দিদের পালানোর প্রবণতা ঠেকাতে কুমির ভরা পরিখা দিয়ে ঘেরা জেলখানা নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইসরায়েলের বর্বর প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার। 

কেৎসিওত কারাগারের পরিখায় পরীক্ষামূললক ভাবে কুমির ছাড়ার তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু গত সোমবার (৩ আগস্ট) ইসরায়েলের আদালত নেতানিয়াহু সরকারের উদ্যোগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে।

পশুপ্রেমী সংস্থা ‘লেট দ্য অ্যানিম্যালস লিভ’-এর তরফে আবেদনের প্রেক্ষিতে জেরুজালেম জেলা আদালত ওই অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছে। 

তবে ফিলিস্তিনি বন্দিদের প্রাণসংশয়ের আশঙ্কা নয়, আবেদনকারী সংস্থা আদালতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ‘সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী’র তালিকায় থাকা নীলনদের কুমির (নাইল ক্রোকোডাইল)-কে আইন ভেঙে সামরিক কার্যকলাপে অপব্যবহারের বিরুদ্ধে।

জুলাই মাসের গোড়ায় ইসরায়েলের উগ্রবাদী ও কট্টরপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির প্রথম কুমির-পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। 

এর পরে ইসরায়েলের পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক মন্ত্রী ইদিত সিলমান জানান, কারাগারের পরিখায় নীলনদের কুমির (নাইল ক্রোকোডাইল) রাখার প্রস্তাব বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগী হয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। 

এই উদ্দেশ্যে সেদেশের ‘সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী’র তালিকা থেকে নীলনদের কুমিরকে সরিয়ে নতুন একটি আইনি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন এই আইনি মর্যাদার ফলে নির্দিষ্ট শর্তে নিরাপত্তা সংস্থা বা জেলখানা কর্তৃপক্ষ নীলনদের কুমির পুষতে পারবেন। 

তেলআবিবের এই পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং বন্যপ্রাণপ্রেমী সংগঠন। 

তাদের তরফে ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি আদালতে দায়ের হয় মামলা। নেতানিয়াহুর সরকারের অন্দরে ‘কট্টর দক্ষিণপন্থী’ হিসাবে পরিচিত গাভির এবং ইদিত। 

অতীতেও তাদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নানা অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে।

-এমএমএস