আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাজধানী কারাকাসে বহু ভবন তাসের ঘরের মতো ধসে পড়েছে। কোথাও সড়কে বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। কারাকাসের কাছের লা গুয়াইরা এলাকায় বিমানবন্দরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর আল জাজিরার।
বুধবার সন্ধ্যায় আঘাত হানা ভূমিকম্পের কম্পন রাজধানী কারাকাস ছাড়াও ত্রুহিয়ো, কারাবোবো, মিরান্ডা ও লা গুয়াইরাসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অনুভূত হয়। অনেক মানুষ আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, লা গুয়াইরার বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। তিনি দাবি করেন, তার আশপাশের বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে এবং সামনের সড়কে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে।
ভূমিকম্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া যোগাযোগব্যবস্থার কারণে অনেক মানুষ গন্তব্যে ফিরতে পারেননি। কারাকাসমুখী কয়েকটি সড়কও বন্ধ করে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রাজধানী কারাকাসে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে জরুরি সেবা কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অংশ নিতে দেখা গেছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলো জানিয়েছেন, বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ভূমিকম্পে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন শেষ হয়নি।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলেছে, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কারণে বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে এবং পরবর্তী সময়ে আরও শক্তিশালী আফটারশক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মিরান্ডা অঙ্গরাজ্যের চাকাও এলাকার মেয়র জানিয়েছেন, এ ঘটনায় প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। তবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।
কারাকাসের আলতামিরা এলাকার বিভিন্ন ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাটিতে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এ এলাকায় বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে।
এমআর