images

আন্তর্জাতিক

ঢাকায় আসার আগে সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২২ মে ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম

ঢাকায় দায়িত্ব নেওয়ার আগে নিজ দেশের সেনাপ্রধান (সিওএএস) জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বর্তমানে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর জনতথ্য বিভাগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারতের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দ্বিপাক্ষিক সামরিক সম্পৃক্ততার মতো বিষয়গুলোতে কৌশলগত আলোচনা করেছেন তারা।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পৃক্ততার মধ্যেই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। বিশেষ করে সীমান্ত নিরাপত্তা সমন্বয় এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) এবং আসামের জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) সম্পূর্ণভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ আইনি ও প্রশাসনিক বিষয়। এ নিয়ে ঢাকার মন্তব্য করার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা জোরপূর্বক প্রবেশের যেকোনো চেষ্টা ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার আইনি প্রক্রিয়া ও বিদ্যমান প্রত্যর্পণ ব্যবস্থার মাধ্যমে তার প্রত্যাবর্তন চেয়েছে। এ বিষয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে একটি আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এএনআই বলছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্যে স্পষ্ট যে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক বর্তমানে কীভাবে একটি বড় কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা আঞ্চলিক কূটনীতির একটি রূপান্তরমূলক পর্যায়কে চিহ্নিত করছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে এই সম্পর্ক ‘অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও পারস্পরিক স্বার্থের দিকে’ এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রগতি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জটিল পর্যায় অতিক্রম করছে।

সূত্র: এএনএআই

এমএইআর