আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৬ মে ২০২৬, ১০:১৮ পিএম
বিধানসভা নির্বাচন শেষে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে অন্তত চারজন নিহত এবং দুই পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েক জায়গায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। এসব হামলার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে রাজ্য বিজেপি বলেছে, “আমাদের নজরে এসেছে যে তৃণমূলের তথাকথিত ‘গুণ্ডা বাহিনীর’ সদস্যরা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিজেপি কর্মী সেজে প্রতারণার চেষ্টা করছে।”
Statement: pic.twitter.com/XJSKh80Cq5
— BJP West Bengal (@BJP4Bengal) May 6, 2026
তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে দলটি বলছে, ‘দ্ব্যর্থহীনভাবে বলা হচ্ছে: বিজেপি এই ধরনের প্রতারণা বরদাস্ত করবে না। ছদ্মবেশ ধারণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মতো কাজে জড়িত কাউকে পাওয়া গেলে কঠোর আইনি পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। এই অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে আইনের পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা হবে।’
বাংলার জনগণ পরিবর্তনের জন্য একটি চূড়ান্ত রায় দিয়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অপরাধ এবং শাসনের যুগ হাত ধরাধরি করে চলার যুগ শেষ হয়েছে। নতুন সরকার আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং নির্ভয়ে ও পক্ষপাতহীনভাবে প্রত্যেক নাগরিককে সুরক্ষা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সহিংসতা, হুমকি বা রাজনৈতিক ছদ্মবেশ ধারণের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি প্রহণ করা হয়েছে। আইনেরই জয় হবে’।
এদিকে ভোট-পরবর্তী সহিংসতা রুখতে কড়া পদক্ষেপ করার বার্তা দিয়েছেল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।
বুধবার রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন পুলিশ সুপাররা। সেখানে রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করার কথা বলা হয়।
এমএইচআর