আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৫ মে ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসামরিক অবকাঠামোতে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা পাকিস্তান।
সোমবার একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আরব আমিরাত। এছাড়াও একটি ইরানি ড্রোন আঘাত হেনেছে ফুজাইরাহ পেট্রোলিয়াম শিল্প অঞ্চলে। এতে সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং তিনজন ভারতীয় নাগরিক আহত হন।
মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স দেওয়া এক পোস্টে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ।
তিনি বলেন, ‘গত রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে পাকিস্তান। এই কঠিন সময়ে পাকিস্তান আমাদের আমিরাতি ভাই-বোনদের এবং সেইসাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে’।
পোস্টে শেহবাজ শরীফ আরও বলেন, ‘এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি করতে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং সেটির প্রতি সম্মান দেখানো অত্যন্ত অপরিহার্য।’
Pakistan strongly condemns the missile and drone attacks on civilian infrastructure in the United Arab Emirates last night. I express full solidarity with His Highness @MohamedBinZayed. Pakistan stands firmly with our Emirati brothers and sisters as well as with the Government of…
— Shehbaz Sharif (@CMShehbaz) May 5, 2026
এাদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হামলার পর ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ইরানি সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, আমিরাতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুঃসাহসিকতার ফল এবং যে স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত বা আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে, সেগুলোতে হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা ইরানের ছিল না।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে আকস্মিক হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েল, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামারিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। পাশাপাশি এসব তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রসহ জ্বালানি অবকাঠামোগুলোতেও বেশ কয়েক দফা হামলা করেছে তেহরান। তবে গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর সব ধরনের হামলা বন্ধ রেখেছিল ইরান।
সূত্র: আলজাজিরা
এমএইচআর