আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
তুরস্কের দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত এবং কমপক্ষে ২০ জনকে আহত হয়েছে। গত দুই দিনের মধ্যে দেশটিতে স্কুলে দ্বিতীয় হামলার ঘটনা এটি।
প্রাদেশিত গভর্নর মুকেরেম উনলুয়ের সাংবাদিকদের জানান, বুধবার কাহরামানমারাস প্রদেশে আইসের কালিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। স্কুলের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রের বন্দুকহামলায় তিনজন ছাত্র ও একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ২০ জন, তাদের হাসপাতালে
তুর্কি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামলাকারী ছাত্র দুটি শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেছিল এবং তার সঙ্গে পাঁচটি বন্দুক ও সাতটি ম্যাগাজিন ছিল, যেগুলো তার বাবার বলে জানা গেছে।
উনলুয়ের বলেন, ছাত্রটি তার বাবার বন্দুকগুলো একটি ব্যাকপ্যাকে লুকিয়ে পরপর দুটি শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে ‘এলোমেলোভাবে’ গুলি চালায়।
হামলার উদ্দেশ্য এবং হামলাকারী ছাত্রের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি কর্তৃপক্ষ।
তবে দেশটির বেসরকারি সংবাদ সংস্থা আইএইচএ-এ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, শরীর ও মুখ ঢাকা অবস্থায় একজনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে স্কুলে ছুটে আসা অশ্রুসন্তপ্ত বাবা-মাদের সেখানে ভিড় করতে দেখা গেছে। ইতোমধ্যেই পুলিশ ভবনটির চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
তুর্কি বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক বলেছেন, প্রসিকিউটররা গুলি চালানোর ঘটনাটি নিয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার দক্ষিণ-পূর্বের সানলিউরফা প্রদেশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে এক প্রাক্তন ছাত্র গুলি চালিয়ে ১৬ জনকে আহত ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষের পর আত্মহত্যা করে।
প্রসঙ্গত, তুরস্কে স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা বিরল। তবে ২০২৪ সালের মে মাসে এক ছাত্র বহিষ্কৃত হওয়ার পাঁচ মাস পর ইস্তাম্বুলের একটি বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষকে গুলি করে হত্যা করেছিল।
সূত্র: আলজাজিরা
এমএইচআর