আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
‘ইরানের পর তুরস্ককে নতুন প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে ইসরায়েল, কারণ শত্রু ছাড়া তারা টিকে থাকতে পারে না’— বলে সতর্ক করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
সোমবার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও দাবি করেন, শনিবার পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো না গেলেও যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আন্তরিক রয়েছে, তবে ইসরায়েল এই প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে পারে।
তিনি বলেন, বিশ্ব হরমুজ প্রণাণিতে অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন নৌচলাচল চায়। তুরস্কও শান্তিপূর্ণ উপায়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার পক্ষে, তবে এক্ষত্রে সশস্ত্র আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।
সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলা তুরস্কের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করেছে উল্লেখ করে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে ইসরায়েল সিরিয়ায় কিছু নির্দিষ্ট পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকছে, তবে শিগগিরই তারা বড় পদক্ষেপ নিতে পারে’।
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি গ্রিস, গ্রিক সাইপ্রিয়ট এবং ইসরায়েলের মধ্যে সহযোগিতা এই অঞ্চলের জন্য আরও বেশি অবিশ্বাস তৈরি করে। এটি একটি বড় সমস্যা এবং যুদ্ধ ডেকে আনতে পারে’।
এ বিষয়ে এখনই পদক্ষেপ নিতে এ অঞ্চলের দেশগুলো আহ্বান জানিয়ে ফিদান বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর উচিত একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা চুক্তির অধীনে একে অপরের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া’।
আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনটি ‘জোটের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ’ হতে পারে জানিয়ে ফিদান বলেন, ন্যাটো দেশগুলোর উচিত আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনটিকে ‘ন্যাটো-মার্কিন সম্পর্ককে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার’ একটি সুযোগ হিসেবে দেখা।
সূত্র: আলজাজিরা, আনাদোলু
এমএইচআর